আই লিগ ট্রফি এবং তাদের মধ্যে ব্যবধান মাত্র এক ম্যাচের। আজ, শুক্রবার চার্চিল ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে জয় বা ড্র হলেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে চেন্নাই এফসি।

এ দিনই রিয়াল কাশ্মীরের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয়ের পর খেতাব জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ইস্টবেঙ্গল শিবিরে। এবং শুক্রবার আলেসান্দ্রো মেনেন্দেসও তাকিয়ে থাকবেন গোয়ার সেই গুরুত্বপূর্ণ দ্বৈরথের দিকে।

এমনই টানটান পরিস্থিতিতে সামনে চলে আসছে এমন এক চরিত্র, যিনি হয়তো আগামীকাল ইস্টবেঙ্গল শিবিরে ফিরিয়ে আনতে পারেন স্বস্তি। তিনি উইলিস প্লাজ়া। গত মরসুমে লাল-হলুদ জার্সিতে খেলেছিলেন ত্রিনিদাদ ও টোব্যাগোর এই স্ট্রাইকার। কিন্তু সফল হতে পারেননি। সেই ব্রাত্য তারকা এ বার আমূল পাল্টে ফেলেছেন নিজেকে। এখনও পর্যন্ত ১৮ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় রয়েছেন দু’নম্বরে। এবং চার্চিল ব্রাদার্সের অন্যতম সেরা অস্ত্র। যাঁর সঙ্গে আগামীকাল লড়াই হবে চেন্নাই সিটি এফসি-র স্প্যানিশ তারকা পেদ্রো মানজ়ির। যিনি ১৯ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার শীর্ষে রয়েছেন।

তবে বৃহস্পতিবারের সেই টানটান ম্যাচের আগে চেন্নাইয়ের চেয়ে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে চার্চিল। রাওলিনসন রদরিগেজ, গোলকিপার বিগনেশ্বরন ভাস্করন, নালাপ্পান মোহনরাজ, রিচার্ড কোস্তা খেলতে পারছেন না। চার্চিলের বিদেশি কোচ পেত্রা গিগুই বলেছেন, ‘‘অনেককেই পাব না এই ম্যাচে। তবে দলীয় সংহতি আমাদের সেরা হাতিয়ার। গত মরসুমের চেয়ে এ বার দল অনেক ভাল খেলেছে। আমরা সর্বশক্তি দিয়ে চেন্নাইকে রুখে দেওয়ার চেষ্টা করব।’’

এতটা দুর্বল দল নিয়ে কি চার্চিল রুখে দিতে পারবে আকবর নওয়াসের দলকে আটকে দিতে? প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবলার রেনেডি সিংহ বলছিলেন, ‘‘আমার তো মনে হয় চার্চিল খোলা মন নিয়ে ম্যাচটা খেলবে। বরং সতর্ক থাকতে হবে চেন্নাইকে।’’ কেন সতর্ক থাকতে হবে মানজ়িদের, তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রেনেডি। তাঁর বিশ্লেষণ, ‘‘ম্যাচ জিতলে বা ড্র করলেই যেখানে আই লিগ হাতের মুঠোয় চলে আসবে, সে ক্ষেত্রে ফুটবলারদের মধ্যে ভর করতে পারে আত্মতুষ্টি। ফলে চেন্নাইকে বেশি সতর্ক 

থাকতে হবে।’’

বৃহস্পতিবারের সাংবাদিক সম্মেলনে সেই সতর্কতার সুর শোনা গিয়েছে আকবরের গলায়। চেন্নাই দলের কোচ বলেছেন, ‘‘চার্চিল শারীরিক বল প্রয়োগ করে ফুটবল খেলে। তা ছাড়া ওদের দলটাও বেশ ভাল। আমরা সতর্ক থাকব।’’