বিশ্বকাপের পরেই ভারতীয় ক্রিকেটারদের স্ত্রী ও বান্ধবীদের সফরসঙ্গী হওয়া নিয়ে শুরু হয়ে গেল নতুন বিতর্ক। সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেট‌্‌রস (সিওএ) ভারতের অধিনায়ক ও কোচকে স্ত্রী ও বান্ধবীদের সফরসূচি সম্পর্কে চূড়ান্ত রায়ের অধিকার দিয়েছে। অর্থাৎ, ক্রিকেটারদের বান্ধবী বা স্ত্রী কত দিন সফরে থাকবেন, কখন থাকবেন বা আদৌ থাকতে পারবেন কি না, সে ব্যাপারে কোচ এবং অধিনায়কই শেষ কথা বলবেন।   

সিওএ-র নতুন নির্দেশ দেখে অনেকেই অবাক। এত দিন ক্রিকেটারদের স্ত্রী ও বান্ধবীদের সফরে যাওয়ার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিত ক্রিকেট র্বোর্ডই। কখনও অধিনায়ক বা কোচের হাতে সেই বিষয় থাকত না। বোর্ড কর্তারা এমনিতেই নানা ব্যাপারে ক্ষমতা হারাতে শুরু করেছেন। লোঢা কমিটির একাধিক সুপারিশে তাঁরা অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়তে শুরু করেছেন। লোঢা কমিটির সুপারিশ মেনে নির্বাচক কমিটির বৈঠক থেকে সচিবকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সভার আহ্বায়ক হবেন নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান। 

যা নিয়ে কারও কারও বক্তব্য, এম এস কে প্রসাদের মতো স্বল্প অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রাক্তন ক্রিকেটারকে কী করে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া যায়? কথা উঠেছে, ভবিষ্যতে অনেক বেশি টেস্ট খেলা এবং বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রাক্তনদের প্রধান নির্বাচকের পদ দেওয়ার। যাতে আহ্বায়ক হওয়ার মতো যোগ্যতা থাকে চেয়ারম্যানের। বোর্ড কর্তারা ক্ষমতা হারাতে শুরু করায় প্রতিবাদ এবং ক্ষোভ বাড়তে শুরু করেছে। ক্রিকেটারদের স্ত্রীদের নিয়ে নতুন নির্দেশ দিয়ে তোপের মুখে পড়েছে সিওএ। এমনকি, আর এম লোঢা, যিনি ক্রিকেট সংস্কারে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তিনি পর্যন্ত উষ্মা প্রকাশ করেছেন সিওএ নিয়ে।