দ্যুতি চন্দ তাঁর হিটে করা সময় আরও কমালেন সেমিফাইনালে। নতুন রেকর্ডও গড়লেন। ফাইনালেও উঠলেন দোহার স্টেডিয়ামে আলোড়ন তুলে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তীরে এসে তরী ডুবল তাঁর। পঞ্চম হলেন তিনি। পদক জেতার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল দ্যুতির। 

বাংলার স্বপ্না বর্মণ হেপ্টাথলনে চারটি ইভেন্টের পর সোনা জেতার লড়াইতে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছেন। পরপর তিন বছরে তিনটি এশীয় মিটে সোনা জেতার হ্যাটট্রিকের স্বপ্ন নিয়ে দোহা গিয়েছেন জলপাইগুড়ির মেয়ে। সোমবার দিনের শেষে তিনি রয়েছেন তিন নম্বরে। 

দ্যুতি হতাশ করলেও মেয়েদের আটশো মিটারে গোমথী মারিমুথু সোনা পেলেন। পুরুষদের শটপাটে সোনা জিতলেন তেজিন্দার পাল সিংহ। এই দুটি সোনাই সোমবার জিতল ভারত।

এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে এ দিন ভারতের পদক তালিকায় যুক্ত হল আরও একটি রুপো এবং দুটো ব্রোঞ্জ। রুপো জিতলেন শীতপাল সিংহ। ছেলে ও মেয়েদের ৪০০ মিটার হার্ডলসে ব্রোঞ্জ জিতলেন জাভির এম পি এবং সরিতা বেন গায়কওয়াড়।

সব মিলিয়ে দোহায় দ্বিতীয় দিনটা ভারতের পক্ষে খারাপ হল না। 

প্রথম দিন মেয়েদের ১০০ মিটারে ১১.২৮ সেকেন্ড সময় করে জাতীয় রেকর্ড করেছিলেন দ্যুতি। এ দিন তা আরও উন্নত করলেন ১১.২৬ সেকেন্ড সময় করে। কিন্তু ফাইনালে অপ্রত্যাশিত খারাপ ফল করলেন তিনি। ১১.৪৪ সেকেন্ড সময় করলেন।

বাংলার সবার নজর রয়েছে দুটি মেয়ের উপর। ১৫০০ মিটারে লিলি দাসের ইভেন্ট ছিল না এ দিন। ত্রিবেণীর মেয়ে সরাসরি ফাইনালে নামবেন বুধবার। স্বপ্নার ইভেন্ট শুরু হয় সোমবার সকালে। দিনের আলোয় দুটো ইভেন্ট হার্ডলস, হাইজাম্পের পর সবার আগে ছিলেন স্বপ্না। কিন্তু রাতে শটপাট ও ২০০ মিটার দৌড়ের পর পিছিয়ে যান সোনার মেয়ে। চারটি ইভেন্টের শেষে তিন নম্বরে থাকলেন স্বপ্না। সুভাষ সরকারের ছাত্রী মঙ্গলবার নামবেন লং জাম্প, জ্যাভলিন থ্রো ও ৮০০ মিটারে। দোহা থেকে ফোনে তাঁর কোচ সুভাষ সরকার বললেন, ‘‘স্বপ্নার চোট রয়েছে। তা নিয়েই পদক জেতার চেষ্টা করছে। দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কী হয়।’’ তবে গোমথী এ দিন চমকে দিলেন। মেয়েদের আটশো মিটারে তিনি সোনা জিতলেন ২ মিনিট ০২.৯৬ সেকেন্ড সময় করে। আর পুরুষদের শটপাটে তেজিন্দার ২০.২৮ মিটার ছুড়লেন তিনি।