শতবর্ষে অ্যাথলেটিক্সে ট্র্যাকে বড় সাফল্য পেল ইস্টবেঙ্গল। 

রাজ্য মিটের প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হল তারা। ছিনিয়ে নিয়ে গেল উত্তর ২৪ পরগণার একচ্ছত্র আধিপত্য। গত চার বছর ধাপে ধাপে উঠে আসছিল ইস্টবেঙ্গল। গতবার হয়েছিল রানার্স। ক্লাবের একশো বছরে সেরা হওয়ার জন্য প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক সংখ্যক ১৩৬ জনের দল নামিয়েছিল তারা। রাজ্যের বহু সেরা অ্যাথলিটকে সই করিয়ে ২৮ সোনা, ১৮ রুপো এবং ১৮ ব্রোঞ্জ পেল লাল-হলুদ শিবির। প্রতিযোগিতার শেষ দিনে উত্তর ২৪ পরগণার দখলে ২৪ টি সোনা, ২০ রুপো এবং ১৮ টি ব্রোঞ্জ পদক জিতল তারা। তৃতীয় স্থান পেল মোহনবাগান।

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন এবং সাই মিলিয়ে রাজ্য মিটে মোট ২১টি রেকর্ড হয়েছে। রবিবার শেষ দিনে হয়েছে  মোট ছ’টি রেকর্ড । তার মধ্যে দুটি পুরানো রেকর্ড ছুঁলেন দুই অ্যাথলিট। পুরুষদের ৪০০ মিটার হার্ডলসে ৩৮ বছরের পুরানো রেকর্ড ভাঙলেন উত্তর ২৪ পরগণার রাজকুমার পাল। ৫২.৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে। এর আগের রেকর্ড ছিল জীবেন রায়ের। তিনি সময় নিয়েছিলেন ৫৩.৬ সেকেন্ড। অনূর্ধ্ব ২০ বিভাগে রেকর্ড গড়লেন ইস্টবেঙ্গলের রাজশ্রী প্রসাদ। অনূর্ধ্ব ১৮ বিভাগে ৪০০ মিটার হার্ডলসে উত্তর ২৪ পরগণার সুভাষ দাশ রেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছে। মেয়েদের ১০০ মিটার দৌড়ে হিমশ্রী রায় নিজের এক বছর আগে করা রেকর্ড ছুঁলেন। রহমতুল্লার রেকর্ড ছুঁলেন আব্দুল মিন। দ্রুততম ছেলে ও মেয়ে অ্যাথলিটের সম্মান পেলেন হিমশ্রী এবং আব্দুল। উত্তর ২৪ পরগণার দেবাঞ্জনা দে ডিসকাস থ্রো-তে রেকর্ড গড়লেন। বছর জুড়ে শতবর্ষের কোনও এক অনুষ্ঠানে এঁদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে।