অলিম্পিক্সের আগে নিজেদের পছন্দসই বিদেশি হাই পারফরম্যান্স সেন্টারে আর ট্রেনিং নিতে যেতে পারবেন না গগন নারঙ্গ, হিনা সিধু, বিকাশ গৌড়াদের মতো তারকা ক্রীড়াবিদরা।

রিও অলিম্পিক্সে প্রত্যাশা মতো ফল না হওয়ায় এ ধরনের কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছেন তীব্র হতাশ সাই এবং কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক।

এ বার থেকে আর খেলোয়াড়দের পছন্দ মতো বিদেশি ট্রেনিং সেন্টারগুলোয় নয়। তার বদলে সাই এবং কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রকের পছন্দ করা ট্রেনিং সেন্টারেই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি নিতে যেতে হবে এ দেশের নামী অলিম্পিয়ানদেরও। শুধু তাই নয়। যে সব খেলোয়াড়কে ওই সব সেন্টারগুলোতে ট্রেনিং নিতে পাঠাবে সাই বা ক্রীড়া মন্ত্রক, সেখানে প্লেয়াররা সঙ্গে তাঁদের নিজস্ব কোচদেরও নিয়ে যেতে পারবেন না। তার বদলে ওই সব সেন্টারের কোচেদের কাছেই ট্রেনিং নিতে হবে। সেই কোচেরা দেশি-বিদেশি, দুই-ই হতে পারেন। ট্রেনিং নিতে যাওয়া ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ শিবিরে উন্নতি বা অবনতির রিপোর্ট কার্ডও ওই সব ট্রেনিং সেন্টারের কোচেদের কাছ থেকে নিয়মিত নেবে সাই এবং কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক। আর সেই রিপোর্ট প্রত্যাশিত না হলে সংশ্লিষ্ট সেই খেলোয়াড় বা খেলোয়াড়াদের ফিরিয়ে আনা হবে, দেশ-বিদেশের ট্রেনিং সেন্টার থেকে।

এ ছাড়া অলিম্পিক্সের এক-দেড় বছর আগে থেকে আর নয়, এখন থেকেই ২০২০ টোকিও অলিম্পিক্সের প্রস্তুতির জন্য খেলোয়াড়দের ট্রেনিং সেন্টারে পাঠানোর জন্য সাইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল শ্রীনিবাস প্রস্তাব পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী বিজয় গোয়েলের কাছে। সাই প্রধানের আরও প্রস্তাব কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর কাছে যে, ভারত অ্যাসোসিয়েশন অব স্পোর্টস পারফরম্যান্সের সদস্য দেশ। বিশ্বের সমস্ত সেরা হাই পারফরম্যান্স সেন্টারগুলো যে সংস্থার অধীনে। যার মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার স্পোর্টস ইনস্টিটিউট, আমেরিকার কলোরাডো স্প্রিংস ইনস্টিটিউটের মতো সেন্টারগুলো। তাই এ বার থেকে সেগুলোতেই পাঠান হোক ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের।

ওই সব বিখ্যাত সেন্টারে ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের পাঠানোর সব খরচ বহন করা হবে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘টার্গেট অলিম্পিক্স পোডিয়াম স্কিম’ তহবিল থেকে।