কিংবদন্তি ইয়ান বোথামতে টপকে গেলেন জেমস অ্যান্ডারসন! নিজের একশোতম টেস্টে বোথামের ৩৮৩ টেস্ট উইকেটের রেকর্ড ভেঙে অ্যান্ডারসনের শিকারের সংখ্যা এখন ৩৮৪! ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট উইকেটের মালিক তকমাটা বোথামের কাছ থেকে চলে এল তাঁর হাতে।

কিন্তু অ্যান্টিগার স্যর ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে এমন নজিরের সঙ্গে প্রথম টেস্টটাও জিতে ইংরেজদের জোড়া উৎসবের পরিকল্পনায় জল ঢেলে দিলেন তেইশ বছরের ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান অলরাউন্ডার জেসন ওমার হোল্ডার। নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করে। হোল্ডার ১০৩ রানে অপরাজিতই থাকলেন না, চার ঘণ্টা ক্রিজ আগলে পড়ে থেকে নিশ্চিত হারের হাত থেকে দলকে উদ্ধার করে টেস্ট ড্র করালেন।

প্রথম টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে ৪৩৮ রানের টার্গেট রাখে ইংল্যান্ড। যা তাড়া করতে নেমে লাঞ্চের পর এক সময় ১৮৯-৬ হয়ে প্রবল চাপে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তায় সকালে মার্লন স্যামুয়েলসের উইকেট নিয়ে বোথামের ৩৮৩ টেস্ট উইকেট স্পর্শ করে তেতে ছিলেন অ্যান্ডারসন। কিন্তু হোল্ডার নামার পর ছবিটা পাল্টায়।

দীনেশ রামদিন-হোল্ডার সপ্তম উইকেটে ১০৫ রান যোগ করার পর রামদিনকে ফিরিয়ে বোথামের রেকর্ড ভাঙেন অ্যান্ডারসন। কিন্তু হোল্ডারের প্রতিরোধ ভাঙতে পারেননি। ১৪৯ বল থেকে ১৫ বাউন্ডারি-সহ ১০৩ রানে অপরাজিত থেকে তিনিই ম্যাচের সেরা। হোল্ডারের কথায়, ‘‘ড্রেসিংরুমে নিজেদের তাতাতে একটা শব্দ আমরা খুব ব্যবহার করছি। ‘বিশ্বাস’। সেই বিশ্বাসটা আজ রেখেছিলাম যে খারাপ শুরু সত্ত্বেও ম্যাচটা বাঁচাতে পারব। পিচে দাঁড়িয়ে থেকে স্রেফ বলগুলো খেলে যাওয়ার চেষ্টা করি।’’ অন্য দিকে, বোথামকে টপকানোর উচ্ছ্বাস জিততে না পারার হতাশায় বদলেছে অ্যান্ডারসনের জন্য। বলেছেন, ‘‘স্যামুয়েলসের উইকেটটা পেয়ে মনে হয়েছিল, জেতার জায়গায় চলে আসা গেল। কিন্তু আপ্রাণ চেষ্টা করেও জেতাতে পারলাম না। উইকেট থেকে কোনও সাহায্যই পাওয়া গেল না!’’