বারো বছরের মধ্যে দ্বিতীয় বার। ২০০৫ সালে ফেভারিট অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৯৮ রানে হারের পর যখন সবাই আশা করছিল, চলতি বছর ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথম বার বিশ্বকাপ জিতবে মিতালির ভারত, তখনই ছন্দপতন। বড় ম্যাচের চাপটা নিতে পারলেন না হরমনপ্রীত-কৃষ্ণমূর্তিরা। মাত্র ২৮ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে জেতা ম্যাচ হেরে বসল টিম ইন্ডিয়া। ইতিহাস সৃষ্টির সুযোগ একটুর জন্য ফসকে গেল উওমেন ইন ব্লু-র হাত থেকে।

দলের হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অধিনায়ক মিতালিও মেনে নিলেন চাপের মুখে ব্যাটিং ভেঙে পড়ার কথা। প্রায় গোটা ম্যাচে রাশ নিজের দিকে রেখেও জিততে না পারার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মিতালি বলেন, “আমরা ফাইনালে খুবই ভাল খেলেছি। শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সমানে সমানে লড়াই করেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাপটা নিতে পারিনি। অযথা তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে আউট হয়েছি।”

আরও পড়ুন: তুমি ভাজ্জি নও! এই হরমনপ্রীতকেই ফিরিয়ে দিয়েছিল পঞ্জাব পুলিশ

হারলেও প্রাক্তন অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামীর প্রশংসাও শোনা যায় মিতালির গলায়। বাংলার সর্বকালের সেরা মহিলা পেসার সম্পর্কে মিতালি বলেন, “ঝুলন একজন ক্লাস বোলার। এটা বহু বার প্রমাণ করেছে ও। আজকের ম্যাচেও ইংল্যান্ডকে এত কম রানে আটকে রাখার অন্যতম কারণ ওঁর বোলিং। দীর্ঘ ক্রিকেট কেরিয়ারে অনেক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ঝুলন। তরুণ ক্রিকেটারদের কাছে ও আদর্শ।”

তবে পরের বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে তাকে যে আর দেখা যাবে না সেটাও এ দিন জানিয়ে দেন মিতালি। তিনি বলেন, “আরও দু’বছর আমি ভারতের হয়ে খেলার চেষ্টা করব, তবে পরের বিশ্বকাপে আমার খেলার কোনও সম্ভাবনাই নেই।”