ব্যাট করতে নেমেছিলেন চার নম্বরে। তখন বেশ চাপে ভারত। দুই ওপেনার ফিরে গিয়েছেন ভরসা না দিয়েই। সেই সময় এসে সেমিফাইনালের মতো আসরে মাথা ঠান্ডা রেখে ব্যাট করে যাওয়াটা সহজ ছিল না। কিন্তু তিনি সেটাই করেছিলেন। আগে থেকেই যেন জানতেন, কী করতে চলেছেন তিনি। যার প্রমাণ পেয়েছিলেন তাঁর সঙ্গে উল্টোদিকে ব্যাট করা দীপ্তি শর্মা। চতুর্থ উইকেটে ১৩৭ রানের পার্টনারশিপে দীপ্তির সংযোজন ছিল মাত্র ২৫।

আরও খবর: মেয়ের গর্বে দারুণ বার্তা পাঠালেন হরমনপ্রীতের মা

দীপ্তিকে কী বলেছিলেন রমনপ্রীত?

সেই জবাব দিলেন স্বয়ং তিনিই। বলেন, ‘‘আমি ওকে বলি, সিঙ্গলস নিয়ে আমাকে ব্যাট করতে দিতে। তোমাকে চাপ নিতে হবে না। আমার বল হিটিং পাওয়ার ভাল। আমি দায়িত্ব নেব। ও কথা মেনে ঠিক তেমনটাই করেছিল।’’ চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে হরমনপ্রীতের ব্যাট থেকে এসেছিল অপরাজিত ১৭১ রান। তিনি যখন ব্যাট করতে নেমেছিলেন তখন ভারত ৩৫/২। তিনি বলেন, ‘‘পুরো টুর্নামেন্টে আমি ব্যাট করার সুযোগ পাইনি। আজ যখন আমি ব্যাট করার সুযোগ পেলাম তখন সেটা কাজে লাগাতে চেয়েছিলাম। নিজেকে প্রমাণও করতে চেয়েছিলাম। ভগবানকে ধন্যবাদ সব পরিকল্পনাই কাজ করে গিয়েছিল।’’

তাঁর এই ১৭১ রানের ইনিংসে অনেকেই ভূমিকা রেখে গিয়েছে। তাঁদেরও প্রশংসা করেছেন হরমনপ্রীত। বলেন, ‘‘মিতালি, দীপ্তি আর ভেদা দারুণ ব্যাট করেছে। এ দিন আমার লক্ষ্য ছিল বল দেখা আর সেটাকে মারা। সঙ্গে স্ট্রাইক রোটেট করা।’’ যাতে সফল তিনি।