আউট নিয়ে অসন্তোষ, আম্পায়ারের সঙ্গে তর্ক করে বড় শাস্তি জেসন রয়ের
জরিমানা ছাড়াও দু'টি ডিমেরিট পয়েন্টও যোগ হল তাঁর নামে। তবে এর জন্য ফাইনালে বাদ পড়তে হবে না ফর্মে থাকা এই ওপেনারকে।
Jason Roy

আম্পেয়ারের সিদ্ধান্তে অখুশি জেসন রয়। ছবি: রয়েটারস

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জিতলেও জেসন রয়কে নিয়ে অস্বস্তিতে ইংল্যান্ড শিবির। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের শিকার হন ইংল্যান্ডের বিধ্বংসী ওপেনার। সেই আউট নিয়েই আম্পায়ারের সঙ্গে তর্ক করে কাটা গেল তাঁর ম্যাচ ফি-র ৩০ শতাংশ। ১৯.৪ ওভারে প্যাট কামিন্সের বলে তাঁকে আউট দেন আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা। সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি ইংল্যান্ডের ওপেনার। ৬৫ বলে ৮৫ করা রয় তখন শতরানের মুখে। অন্য ওপেনার জনি বেয়ারস্টোর আউটের সময় রিভিউ নষ্ট করে ইংল্যান্ড। তাই রয়ের পক্ষে সম্ভব হয়নি রিভিউ নেওয়া।

কামিন্সের বল রয়ের ব্যাট পার করে জমা পরে উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারির হাতে। অজিরা আবেদন করার কিছু ক্ষণ পরে আঙুল তোলেন আম্পায়ার ধর্মসেনা। তিনি মনে করেছিলেন বল ব্যাট ছুঁয়েছে। কিন্তু পরে স্নিকোমিটারে দেখা যায় যে, রয়ই ঠিক ছিলেন। বল তাঁর ব্যাটে লাগেনি।

ধর্মসেনা আউট দিলেও তাই মাঠ ছেড়ে প্রথমে বেরোতে রাজি ছিলেন না রয়। বার বার তাঁর সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় আম্পায়ারদের। শেষ পর্যন্ত তিনি মাঠ ছাড়লেও বিরক্তি স্পষ্ট ছিল তাঁর আচরণে।

সেই জন্যই পেতে হল শাস্তি। জরিমানা ছাড়াও দু'টি ডিমেরিট পয়েন্টও যোগ হল তাঁর নামে। তবে এর জন্য ফাইনালে বাদ পড়তে হবে না ফর্মে থাকা এই ওপেনারকে। চারটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তবে সাসপেনশনের খাঁড়া নেমে আসে। তাই এ বারের মতো বেঁচে গেলেন তিনি।

এ বারের বিশ্বকাপে খারাপ আম্পায়ারিং বার বার চোখে পড়ছে। বিভিন্ন ম্যাচে ভুল সিদ্ধান্ত ঘুরিয়ে দিয়েছে ম্যাচের চরিত্র। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্তই যে শিরোধার্য। মেনে নিতেই হয় সেই সিদ্ধান্ত। আইসিসি-র নিয়ম অনুযায়ী মাঠে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনও রকম বিরূপ আচরণ শাস্তিমুলক অপরাধ।

ম্যাচের
Live
স্কোর