ব্যাটিংয়ের সঙ্গে বোলি‌ংয়েও চাই উন্নতি, হার্দিককে পরামর্শ কপিলের
এখনও পর্যন্ত ৪৭টি ওয়ান ডে খেলেছেন হার্দিক। তাঁর ব্যাটিং গড় ৩০.৫৩। টেস্ট সেঞ্চুরিও রয়েছে। অথচ তাঁর ওয়ান ডের বোলিং গড় ৪১.৯৭।
hardik and kohli

অনুশীলনে হার্দিক। এএফপি।

কিংবদন্তি অলরাউন্ডার কপিল দেব জানিয়ে দিলেন, বোলিংয়ে আরও উন্নতি করা উচিত হার্দিক পাণ্ড্যর। হার্দিকের ব্যাটিংয়ে কপিল মুগ্ধ হলেও বোলিং নিয়ে ততটা সন্তুষ্ট নন। কপিল চান, বোলিংয়ে উন্নতি করে তাঁর থেকেও বড় অলরাউন্ডার হোক হার্দিক।

বুধবার সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে কপিল বলেন, ‘‘এখনই ওকে নিয়ে কারও সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়। আগে ভাল করে খেলতে দেওয়া হোক। ওর প্রতিভা নিয়ে আমার কোনও সন্দেহ নেই। অবশ্যই চাইব আমার থেকে যেন ও ভাল অলরাউন্ডার হতে পারে।’’ সঙ্গে যোগ করেন, ‘‘কিন্তু অলরাউন্ডারকে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংও করতে হবে। হার্দিককে এখন ব্যাটিং অলরাউন্ডার বলা যায়। কিন্তু বোলিং নিয়ে অনেক কিছু ভাবতে হবে ওকে। আমার বিশ্বাস, ও উন্নতি করবেই।’’

এখনও পর্যন্ত ৪৭টি ওয়ান ডে খেলেছেন হার্দিক। তাঁর ব্যাটিং গড় ৩০.৫৩। টেস্ট সেঞ্চুরিও রয়েছে। অথচ তাঁর ওয়ান ডের বোলিং গড় ৪১.৯৭। উইকেট ৪৪টি। তবুও কপিল দেবের সঙ্গে তরুণ অলরাউন্ডারের তুলনা করতে কেউ ছাড়েনি। হার্দিক নিজেও এই তুলনার বিরুদ্ধে। বলেছিলেন, ‘‘আমি আমার মতো হতে চাই।’’ কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীর অলরাউন্ডারকে বিচার করার মাপকাঠি সেই কপিল। 

ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক অবশ্য শিখর ধওয়নের চোট নিয়ে হতাশ। বলছিলেন, ‘‘শিখরের জন্য খুবই খারাপ লাগছে। ব্যাটিং লাইন-আপেরও ক্ষতি হল। কিন্তু চোট তো কারও হাতে নেই। আমাদের রিজার্ভ বেঞ্চ অবশ্য শক্তিশালী। ওর পরিবর্তে যে খেলবে, সে হয়তো ওর থেকেও ভাল ইনিংস খেলে দিতে পারে। তবে বড় ক্রিকেটার চোট পেলে দল কিছুটা সমস্যায় অবশ্যই পড়ে।’’

বৃহস্পতিবার ট্রেন্ট ব্রিজে ভারত নামছে নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে ফুটছে বিরাট-বাহিনী। কপিল মনে করেন, নিউজ়িল্যান্ডকেও সহজেই হারাবে ভারত। ‘‘যে দল দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দলকে হারিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করেছে। তাদের সামনে যে কোনও দল সমস্যায় পড়বে। নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারের কোনও কারণ নেই।’’

পাকিস্তান ম্যাচ নিয়েও আগাম জানিয়ে রাখলেন কপিল। তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের সময় ভারত-পাক ম্যাচে পাকিস্তানই ছিল ফেভারিট। কিন্তু এখন ভারত অনেক ভাল দল। ওরাই আমার ফেভারিট। বৃষ্টি না হলেই হল।’’

কিন্তু বিশ্বকাপে পিচের মান নিয়ে খুশি নন কপিল। বলে গেলেন, ‘‘ইংল্যান্ডে একেবারে পাটা উইকেটে বিশ্বকাপ হচ্ছে। পিচে যদি সামান্য ঘাস রেখে দেওয়া যায় তা হলে ২৫০ রান করেও বিপক্ষকে চাপে ফেলে দেওয়া যায়। বুঝতে পারছি দর্শকেরা চার, ছয় দেখতে বেশি পছন্দ করেন। ব্যাটসম্যানেরা ৬০ শতাংশ সাহায্য পাক। বোলারদের ৪০ শতাংশ সাহায্য পেলেও হবে। বর্তমানে একজন ব্যাটসম্যান ৮০ শতাংশ সুবিধা পায়।’’

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের YouTube Channel - এ।

ম্যাচের
Live
স্কোর