চব্বিশ ঘণ্টা আগে বিরাট কোহালির আঙুলের চোট নিয়ে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই দূর হয়েছে বলে রবিবার দাবি করা হল ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের খবর, ভারতীয় শিবিরের পক্ষ থেকে এ দিন জানানো হয়েছে, অধিনায়কের চোট নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। ৫ জুন, দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের আগেই পুরো সুস্থ হয়ে যাবেন কোহালি। 

শনিবার ফিল্ডিং প্র্যাক্টিস করার সময় কোহালির ডান হাতের বুড়ো আঙুলে চোট লাগে। দেখা যায়, দলের ফিজিয়ো প্যাটট্রিক ফারহার্ট মাঠে নেমে কোহালির আঙুলে স্প্রে করে দিচ্ছেন। এর পরে মাঠ ছেড়ে বেরিয়েও যান ভারত অধিনায়ক।

আরও পড়ুন: ওভালে ব্যাঘ্রগর্জনে ধরাশায়ী দক্ষিণ আফ্রিকা, কী ভাবে কক-প্লেসিদের হেলায় হারাল বাংলাদেশ

মাঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় দেখা যায়, কোহালির হাতে ঠান্ডা জলের গ্লাস। যেখানে তিনি চোট পাওয়া বুড়ো আঙুল ডুবিয়ে রেখেছেন। শুধু কোহালিই নন, দলের চোট পাওয়া বাকি ক্রিকেটাররাও সুস্থ হওয়ার পথে। কেদার যাদব অনেকটা সময় এ দিন নেট করেছেন। ইংল্যান্ডে পা দিয়েই নেটে অনুশীলন করার সময় চোট পেয়েছিলেন বিজয় শঙ্কর। তাঁর হাতে চোট লেগেছিল। তিনিও সুস্থ হয়ে গিয়েছেন। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচেও খেলেন শঙ্কর। তবে সব চেয়ে আশঙ্কার ছিল, কোহালির চোট। ডান হাতের বুড়ো আঙুলে লাগা মানে ব্যাটিংয়ের সময় ‘বটম হ্যান্ড গ্রিপ’-এ সমস্যা হয়ে যেত কোহালির। কিন্তু এখন ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে ভরসা দেওয়া হয়েছে, অধিনায়ককে নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই। এ দিন হাসিমুখে সতীর্থদের সঙ্গে ছবিও টুইট করেন কোহালি। যা ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের খুশি করবে। 

এরই মাঝে কেদারের সুস্থতা নিয়ে স্বস্তি ফিরেছে ভারতীয় দলে। বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের দলে তিনি থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে রবিবার নেটে পুরোদস্তুর অনুশীলন করেন কেদার।

এ বার আইপিএলের শেষ পর্বে কাঁধে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের এই অলরাউন্ডার। পরে ফিটনেস টেস্টে উত্তীর্ণ হয়ে ৩৩ বছরের কেদার বিশ্বকাপের বিমানে উঠে পড়লেও চাপা একটা সংশয় তাঁকে নিয়ে ছিল। রবিবার সেই অস্বস্তি কেটে গিয়েছে। রবিবার দুই পর্বে নেটে গা ঘামিয়েছেন তিনি। ব্যাটিং করার পাশাপাশি বলও করতে দেখা যায় তাঁকে। যা অন্তত এটা প্রমাণ করেছে যে, কাঁধের চোট থেকে তিনি অনেকটাই মুক্ত। বিশেষ করে, ব্যাটিং করার সময়ে কেদারের মধ্যে কোনও জড়তা দেখা যায়নি। বোলিংও করেছেন স্বাভাবিক ভাবেই।

তবে বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁর প্রথম এগারোয় থাকা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। নিউজ়িল্যান্ড এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচেই তিনি ছিলেন মাঠের বাইরে। এ দিন ভারতীয় দলের কোনও অনুশীলন ছিল না। কোহালি-সহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার জিমেই সময় কাটিয়েছেন। শুধুমাত্র কেদারই নেটে বোলিং এবং ব্যাটিং করেন। তাঁর ফিটনেস খুব ভাল ভাবে দেখে নেওয়ার পরেই তাঁকে প্রথম একাদশে রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চান কোহালি।

গেলদের জন্য শর্ট বল সেরা অস্ত্র: বিশ্বকাপে তাঁদের প্রথম ম্যাচেই আগুনে গতি এবং শর্ট বলের গোলাগুলিতে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান পেসাররা। ওই ম্যাচে ওশেন থমাস, আন্দ্রে রাসেলদের দেখে অনেকেরই মনে পড়ে গিয়েছিল স্বর্ণযুগের ক্যারিবিয়ান পেস ব্যাটারিকে। এ বার সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকেই ‘চিন মিউজিক’ শোনানোর হুমকি দিয়ে রাখল অস্ট্রেলিয়া। অ্যারন ফিঞ্চের দলের পেসার নেথান-কুল্টার নাইল হুঙ্কার দিয়েছেন, শর্ট বল করেই থামিয়ে দেবেন ক্রিস গেল, রাসেলদের।