সতেরো বছর আগে তাঁদের হাত ধরে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত।

বৃহস্পতিবার লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার ফাঁকে ঐতিহাসিক লর্ডসে ঘুরতে গিয়েছিলেন যুবরাজ সিংহ এবং মহম্মদ কাইফ। প্রাক্তন সতীর্থ যুবরাজের সঙ্গে নিজস্বী তুলে তা টুইটারে পোস্ট করেছেন কাইফ। তিনি টুইট করেছেন, ‘‘সতেরো বছর পরে আবার আমরা দু’জনে সেই লর্ডসে। ভারতীয় দলকে বিশ্বকাপ জয়ের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে রাখি। স্বপ্ন দেখছি, ১৪ জুলাই এই লর্ডসে বিশ্বকাপ হাতে উঠবে কোহালির।’’ ঘটনা হল, সেই ছবি টুইটারে পোস্ট করার পরেই পাল্টা জবাব দেন নাসের হোসেন। যিনি সেই ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি ফাইনালে ছিলেন ইংল্যান্ড দলের অধিনায়ক। নাসের টুইট করেছেন, ‘‘ঘুম থেকে উঠে এই ছবি দেখতে চাই না। ছবির ওই দুজন এখনও আমার কাছে দুঃস্বপ্ন।’’

পুরনো মাঠে ফিরে যুবরাজের স্মৃতিতেও ভেসে উঠেছে ভারতীয় দলের জার্সিতে ২০০৩ এবং ২০১১ বিশ্বকাপ খেলার ছবি। ইংল্যান্ডের এক পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুবি বলেছেন, ‘‘প্রথম বার ড্রেসিংরুমে খুব ঘাবড়ে গিয়ছিলাম। সচিন তেন্ডুলকর এসে হাত মেলাতেই শরীরে একটা শিহরণ টের পেয়েছিলাম।’’

২০০৩ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচের কথাও ভুলতে পারেননি যুবরাজ, ‘‘পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেটাই ছিল আমার প্রথম ম্যাচ। উল্টো দিকে ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনিস, শোয়েব আখতারের মতো বোলারেরা খেলছে। আমার মাঠে নামার আগে মনে হচ্ছিল, কী ভাবে ওদের বিরুদ্ধে খেলব। পরে কিন্তু ভয় একদম কেটে যায়।’’ তবে যুবরাজের জীবনে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে ২০১১ বিশ্বকাপ। তিনি বলেছেন, ‘‘সচিন পাজি-র জন্য আমরা সকলে নিজেদের উজাড় করে দিয়েছিলাম। সচিনকে বিশ্বকাপ দিয়ে ধন্য হয়েছিলাম।’’ তিনি আরও বলেছেন, ‘‘ওই বিশ্বকাপে খেলতে নামার আগে বারবার আমি সচিন পাজি-র সঙ্গে আলোচনা করতাম কী ভাবে ব্যাটিং করা উচিত।’’