তাঁর স্পিনের ঘূর্ণিতে নাস্তানাবুদ দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ৫১ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেওয়া যুজবেন্দ্র চহালের ক্রিকেট কেরিয়ারের শুরুটা অবশ্য অন্যরকম ছিল।

ব্যাট-বল ধরার আগে তারকা ভারতীয় স্পিনারের পছন্দের তালিকায় ছিল দাবা। এই খেলা তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ারে কার্যকর ভূমিকা নিয়েছে। দাবি করেছেন স্বয়ং চহাল। কোহালির তুরুপের তাস বলেন, “দাবা আমাকে ধৈর্য আর পরিকল্পনা করতে সাহায্য করেছে। দাবা খেলার সময়ে আগে থেকেই বিপক্ষের জন্যে ১৫ থেকে ১৬টা চাল প্ল্যান করে রাখতে হয়। ঠিক যেমন ক্রিকেটে বল করার সময়ে আগে থেকেই বেশ কয়েকটা প্ল্যান মাথায় রেখে এগোতে হয়। আমি যখন ফ্যাফ দু প্লেসিকে বল করছিলাম তখন আগে থেকেই স্থির করে রেখেছিলাম কখন গুগলি দেব আর কখন ফ্লিপার করব।”

দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়কের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা মাফিক বল করছিলেন চহাল। তাঁর ফাঁদেই ধরা দেন দু’ প্লেসি। ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহালি তাঁর প্রশংসা করে বলেন “চহাল এমন একজন বোলার যাকে ডেথ ওভার হোক অথবা পাওয়ার প্লে, যে কোনও সময়ে যে কোনও পরিস্থিতিতে বল করতে দেওয়া যায়।” অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিচ্ছেন চহাল।

দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইন আপে ধস নামানোর মূল কারিগর এই লেগ স্পিনারকে নিয়ে কোহালি আরও বলেন, “মাঠের পরিস্থিতি, পিচের ধরন কেমন, তা চহাল খুব ভাল বুঝতে পারে। মোক্ষম সময়ে কোন ধরনের বল কাজে লাগতে পারে, সেটা ওর থেকে ভাল কেউ জানে না। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ জেতার কৃতিত্ব চহালেরও প্রাপ্য।’’