আন্তর্মহাদেশীয় কাপে পরপর দু’ম্যাচে নয় গোল খাওয়ার পরে ইগর স্তিমাচকে নিয়ে যখন সমালোচনার ঝড়, তখনই ঘুরে দাঁড়ালেন সুনীল ছেত্রীরা। সিরিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ৭৮ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও জিততে পারল না ভারত। সুনীল ছেত্রীরা পুরো পয়েন্ট না পেলেও  সিরিয়ার যাত্রাভঙ্গ করে দিলেন। ফাইনালে ওঠা হল না ফিরাস আল খাতিবদের।

সিরিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে গোল করে চমকে দিলেন দিল্লির ছেলে নরেন্দ্র গেহলট। অনিরুদ্ধ থাপার কর্নারে হেড করে গোল করা ডিফেন্ডারের এটিই ছিল সিনিয়র দলের হয়ে দ্বিতীয় ম্যাচ। এই প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচে অভিষেক হয়েছিল নরেন্দ্রর। তাঁর এই গোলটিই আমদাবাদের মাঠে উপস্থিত হাজার পাঁচেক দর্শককে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর সুযোগ এনে দেয়। কিন্তু ৭৮ মিনিটের মাথায় গ্যালারিতে নামে হতাশা। গোল শোধ করে দেয় সিরিয়া। পেনাল্টি থেকে ফিরাস আল খাতিব গোল করে ১-১ করে দেন।

এমনিতে তাজিকিস্তান ও উত্তর কোরিয়ার কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে ইতিমধ্যে বিদায় নিয়েছেন সুনীল ছেত্রীরা। ফলে চাপমুক্ত হয়ে মাঠে নেমেছিল ভারত। গুজরাতের মাঠে এই প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছে ভারতীয় দল। এমনিতে ফুটবলের শহর নয় আমদাবাদ। তা সত্ত্বেও প্রথম দুটি ম্যাচে প্রচুর দর্শক এসেছিলেন। এ দিন কম সমর্থক মাঠে এলেও সুনীল-উদান্তা সিংহ-প্রীতম কোটালরা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা করে গিয়েছেন। তবে পরপর দুটো ম্যাচে সুযোগ পেয়েও চূড়ান্ত ব্যর্থ জবি জাস্টিনকে এ দিন আর নামাননি স্তিমাচ। দেশের সেরা স্ট্রাইকার সুনীলকে সামনে রেখেই সিরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামে ভারত। তাতে অবশ্য আংশিক  ভাবে

সফলই হয়েছেন কোচ স্তিমাচ।