দু’পক্ষই তার মতামত আগেই জানিয়ে দিয়েছিল। বাকি ছিলেন শুধু দলের সঙ্গে যাওয়া ম্যানেজার। সেই মতো তিনিও তাঁর রিপোর্ট জমা দিলেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি সিরিজ শেষে রিপোর্ট জমা দিতেই হয় দলের সঙ্গে যাওয়া ম্যানেজারকে। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলের সঙ্গে যাওয়া ম্যানেজার কপিল মলহোত্র নাকি তাঁর রিপোর্টে কোনও বিতর্কের কথা লেখেননি। বিসিসিআই সূত্রের খবর, ‘‘কপিল মলহোত্র তার রিপোর্ট দিয়েছে।  সেই রিপোর্টে তেমন কিছু নেই। যেখানে এমন কিছু নেই যাতে মনে হবে বিরাট কোহালি নিয়ম ভেঙেছেন।’’

আরও খবর: পুরুষদের বিশ্বকাপের থেকেও পুরনো মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপ, জানতেন!

যা খবর তাতে ঘরের মাটিতে ১৩টি টেস্ট ম্যাচের সময় ভারতীয় দলের ম্যানেজার হিসেবে কাজ করা অনিল পটেলের থেকেও রিপোর্ট চাওয়া হবে এই বিষয়ে। কপিল মলহোত্র এই মুহূর্তে দলের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজে রয়েছে। আগে কথা ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দলের সঙ্গে ম্যানেজার হিসেবে যাবেন মিলিন্দ কানমাদিকার। কিন্তু পরে কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর সিদ্ধান্ত নেয় মলহোত্রই ইংল্যান্ড থেকে যাবে দলের সঙ্গে যাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজে।

কোহালি-কুম্বলে সম্পর্কের অধঃপতন হয়েছিল এই ঘটনার ছ’মাস আগে থেকেই। কিন্তু তার প্রভাব পড়েনি খেলায়। তার রেশও ধরা পড়েনি কারও শরীরী ভাষায়। কিন্তু সব ভন্ডুল করে দিল হঠাৎ করেই বিসিসিআই নতুন কোচের আবেদনপত্রের বিজ্ঞাপণ। যেটা মেনে নিতে পারেননি অনিল কুম্বলে। তিনি খুব ভাল করেই জানতেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পর্যন্তই তাঁর ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে চুক্তি রয়েছে। তার পর নতুন কোচই আসুক বা তাঁর সঙ্গে নতুন চুক্তি হোক সবটাই তাঁকে জানিয়েই হবে। কিন্তু হঠাৎ এই বিজ্ঞপ্তিতে হতাশ হয়েছিলেন তিনি। তার উপর ছিল অধিনায়কের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক।

 চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসরে যা একদম সামনে চলে এল। তার পরই খোলসা হল গত ছ’মাস ধরে বিরাট কোহালি ও অনিল কুম্বলের মধ্যে কোনও বাক্যালাপই ছিল না। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির কোনও সাংবাদিক সম্মেলনে দেখা যায়নি কুম্বলেকে। শেষ পর্যন্ত এই পুরো নাটকে যবনিকা পড়ল ভারতীয় দলের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফ্লাইটে অনিল কুম্বলে না ওঠায়। সেদিন সন্ধেয় নিজের পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে দেন কুম্বলে। তাঁকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জাননো হলেও তিনি তা মেনে নেননি।