কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেটে জিতে প্লে-অফের দৌড়ে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস। সেই সঙ্গেই জমিয়ে দিল প্লে-অফের দৌড়। 

সাধারাণত ১৪ ম্যাচের মধ্যে যে দল আটটি ম্যাচ জেতে, তারা প্লে-অফের দৌড়ে নিশ্চিত হয়ে যায়। কিন্তু শনিবার যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে প্লে-অফের দৌড়ে রয়েছে প্রত্যেকটি দল। ৯ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে থাকা চেন্নাই সুপার কিংস টেবলের শীর্ষে। প্লে-অফের দৌড়ে কার্যত নিশ্চিত মহেন্দ্র সিংহ ধোনির দল। কিন্তু বাকিদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হতে পারে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই।

লিগ তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা মুম্বই ও দিল্লির পয়েন্ট ১০ ম্যাচ খেলে ১২। মুম্বইয়ের সামনে চার ম্যাচ বাকি। দু’টি ঘরের মাঠে, দু’টি বাইরে। দিল্লিরও একই অবস্থা। চতুর্থ স্থানে থাকা পঞ্জাবের পয়েন্ট ১০ ম্যাচে ১০। তারাও ঘরের মাঠে দু’টি ম্যাচ পাচ্ছে।

এ দিকে পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে থাকা সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও কলকাতা নাইট রাইডার্স ম্যাচে যে জিতবে, তারা পৌঁছবে দশ পয়েন্টে। আট ম্যাচ খেলে সানরাইজার্সের পয়েন্ট আট। এক ম্যাচ বেশি খেলে আট পয়েন্ট নাইটদের। সানরাইজার্সের আসন্ন ছয় ম্যাচের মধ্যে চার ম্যাচই বাইরে। নাইটদের ঘরের মাঠে বাকি দু’টি ম্যাচ। কিন্তু তাদের মূল চিন্তা হয়ে দাঁড়াতে পারে মুম্বই। তাদের বিরুদ্ধে এখনও দু’টি ম্যাচ বাকি নাইটদের।

সপ্তম ও অষ্টম স্থানে থাকা রাজস্থান রয়্যালস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকেও পিছিয়ে রাখা যাচ্ছে না। ৯ ম্যাচে তিনটি জিতে ছয় পয়েন্ট স্টিভ স্মিথের দলের। এ দিন মুম্বইকে হারিয়ে স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছেন স্মিথ। তেমনই শুক্রবার কেকেআরকে হারিয়ে দৌড়ে রয়ে গিয়েছে আরসিবি। ৯ ম্যাচ খেলে তাদের পয়েন্ট চার। সুতরাং, কোনও দলই অঙ্কের বাইরে নেই। আসন্ন সপ্তাহে অঙ্ক কোন জায়গায় দাঁড়ায় সেটাই দেখার।

এ দিন ফিরোজ শাহ কোটলায় টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন দিল্লি অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। ১৬৩-৭ স্কোরে আটকে যায় পঞ্জাব। জবাবে চার বল বাকি থাকতে পাঁচ উইকেট হারিয়ে জেতে দিল্লি। শিখর ধওয়ন করলেন ৪১ বলে ৫৬ রান। যে ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও একটি ছয়। তারই সঙ্গে জাতীয় দলে সতীর্থ আর অশ্বিনকেও ‘মাঁকড়ীয় আউট’ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না। ১২.৩ ওভারে কিংস ইলেভেন পঞ্জাব অধিনায়ক যখন বল করতে আসছিলেন, তখন তাঁর মনঃসংযোগ বিঘ্নিত করতে শিখর পপিং ক্রিজ থেকে ব্যাট তুলছিলেন। আবার তা রেখে দিচ্ছিলেন। অশ্বিনও পাল্টা সতর্ক করে দেন তাঁকে। অন্য দিকে, ম্যাচের সেরা শ্রেয়স আইয়ার অপরাজিত থাকেন ৫৮ রানে। ( আইপিএল টেবল পৃঃ ১৯)।