ইডেেন কেকেআর-কে হারানোর পরে দিল্লি ক্যাপিটালস দলের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারের দাবি ছিল, তাঁদের কাছে প্লে অফের টিকিট নিশ্চিত করার দর্শনটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

রবিবার উপ্পলে ধরা পড়ল সেই ছবি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৩৯ রানে হারিয়ে পয়েন্ট টেবলের শুধু দুই নম্বরেই উঠল না দিল্লি, পাশাপাশি তাদের দলের বোলিং ব্রিগেড বাকি প্রতিপক্ষদের কাছে সতর্কবার্তাও পাঠিয়ে দিল। কাগিসো রাবাডা, কিমো পল এবং ক্রিস মরিস—এই পেস ত্রিফলায় বিদ্ধ ওয়ার্নারদের দল। অস্ট্রেলীয় ওপেনার নিজে রান পেলেন, কিন্তু রবিবারের ম্যাচ হেরে টেবলের ছয় নম্বরে নেমে গেল তাঁর দল।

ম্যাচের সেরা গায়ানার ২১ বছরের ডান হাতি পেসার কিমো পল বলে গেলেন, ‘‘জীবনের প্রথম আইপিএল খেলতে এসে ম্যাচের সেরার পুরস্কার নিতে গিয়ে রোমাঞ্চ অনুভব করছিলাম। আমাকে সকলে বলেছিলেন,  বিশ্বের সব চেয়ে বড় ক্রিকেট লিগটা উপভোগ করো। সাফল্য তোমার কাছে ধরা দেবে।’’ কিন্তু দিল্লি শিবিরে যিনি জয় নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন, সেই কাগিসো  রাবাডার বক্তব্য, ‘‘রান যে হেতু কম ছিল, তাই শুরু থেকে একটা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল।’’ কি সেই পরিকল্পনা? রাবাডার ব্যাখ্যা, ‘‘ভারতীয় উইকেটে সাফল্য পেতে হলে গতি এবং সুইংয়ে বৈচিত্র আনতেই হবে। জানতাম উল্টো দিকে ওয়ার্নার এবং বেয়ারস্টোর মতো ব্যাটসম্যান রয়েছে। ওরা যাতে খুব মাথা না তুলতে পারে, তার জন্য গতিতে অনেক পরিবর্তন আনতে হয়েছে। কিমো এবং মরিসও সেই অস্ত্রে ওদের শেষ করে দিয়েছে।’’

পয়েন্ট তালিকার ছয় নম্বরে থাকা ডেভিড ওয়ার্নারদের দলের কাছে প্লে অফ দৌড়ে থাকার লক্ষ্যে রবিবারের ম্যাচ জেতা প্রয়োজনীয় ছিল। সেই অভিযানে গত ম্যাচে কলকাতায় কেকেআরকে হারিয়ে যাওয়া দিল্লি ক্যাপিটালস বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেনি। দিল্লি ক্যাপিটালস ২০ ওভারে তোলে সাত উইকেটে ১৫৫ রান। তিন নম্বরে নামা কলিন মুনরো (৪০) এবং শ্রেয়স আইয়ার (৪৫) ছাড়া দিল্লির কেউ ভাল রান করতে পারেননি। যার ফলে বড় রান তুলতে পারল না তারা। এই ম্যাচে খলিল আহমেদকে খেলাল হায়দরাবাদ। প্রথম সুযোগেই বাজিমাত তাঁর। নিলেন ৩০ রানে তিন উইকেট।