টানা ছয় ম্যাচ হেরে বিপর্যস্ত কেকেআর শিবির। বিধ্বস্ত দলের অধিনায়ক দীনেশ কার্তিকও। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে হারের পরে জানিয়ে দিলেন, তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। 

বৃহস্পতিবার ম্যাচ শেষে সাংবাদিক বৈঠকে কার্তিক বলেন, ‘‘আমরা সব কিছু চেষ্টা করছি। কিন্তু কোনও কিছুই সঙ্গ দিচ্ছে না। দলকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। ড্রেসিংরুমে সবাইকে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে দেওয়ার চেষ্টা করছি। সঠিক কম্বিনেশন নিয়ে নামার চেষ্টা করছি। ভাল ব্যাট, বল করার চেষ্টা করছি। কিন্তু সব আমাদের বিফলে যাচ্ছে। এ রকম হওয়ার পরে জানতাম, আমার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। সেটাই স্বাভাবিক। খুবই হতাশ লাগছে।’’

৬৩ রানে তিন উইকেট পড়ে গিয়েছিল রাজস্থানের। তার পরেই নিজের বলে ক্যাচ ফস্কান সুনীল নারাইন। তখন রায়ান পরাগের রান শূন্য। শেষে রায়ানই ৩১ বলে ৪৭ রান করে কেকেআরের হাত থেকে ম্যাচ বার করে নিয়ে যান। নারাইনের সেই ক্যাচ ফস্কানোর মুহূর্তই কি ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার কারণ? কার্তিকের উত্তর, ‘‘ঘটনাটি এমন সময় ঘটেছে যখন ম্যাচের অনেকটাই বাকি। তবে ওই সময়ে উইকেটটি পেলে ভাল হত। বিপক্ষের উপর বেশি চাপ সৃষ্টি করা যেত।’’ কার্তিক যদিও মনে করেন এখান থেকেও ফিরে আসা সম্ভব। বলছিলেন, ‘‘আমার বিশ্বাস সামনের তিনটি ম্যাচে অনেক পরিণত ক্রিকেট খেলবে আমাদের ছেলেরা।’’ 

এই ম্যাচ হারের পরে ১১ ম্যাচ খেলে আট পয়েন্ট নাইটদের। লিগ তালিকায় ছয় নম্বরে। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে থাকা হায়দরাবাদ ও পঞ্জাবের পয়েন্ট ১০। হায়দরাবাদ আবার এক ম্যাচ কম খেলেছে। সে ক্ষেত্রে টানা তিন ম্যাচ জিতলে ১৬ পয়েন্টে পৌঁছতে পারবে পঞ্জাব। হায়দরাবাদের সামনে ১৮ পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু নাইটরা তিন ম্যাচ জিতলেও থাকবে ১৪ পয়েন্টে। তা ছাড়া শেষ তিন ম্যাচের মধ্যে দু’টি ম্যাচে প্রতিপক্ষ মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, যাদের বিরুদ্ধে ২৩ ম্যাচে মাত্র পাঁচ বার জিতেছে কেকেআর। আর একটি ম্যাচ পঞ্জাবের বিরুদ্ধে। কেকেআের সামনে রাস্তায় এখন শুধুই কাঁটা।