কলকাতা নাইট রাইডার্সের শক্তি তাদের স্পিন ত্রয়ী। সুনীল নারাইন, পীযূষ চাওলা ও কুলদীপ যাদব। অথচ ইডেনে যে ধরনের পিচ তৈরি করা হয়, তা স্পিনারদের সাহায্য করে না। এ কথা মানছেন কেকেআর অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। তাই আরসিবি-র বিরুদ্ধে উইকেট থেকে সামান্য সাহায্যের আশায় রয়েছেন তিনি। যে উইকেট স্পিনারদেরও সাহায্য করবে।

বৃহস্পতিবার ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক বৈঠকে কার্তিক বলেন, ‘‘স্পিনাররাই আমাদের অন্যতম শক্তি। যে দলে তিনজন ভাল স্পিনার রয়েছে তারা তো চাইবেই উইকেট থেকে স্পিনাররা সাহায্য পাক। কিন্তু ইডেনে যে ধরনের পিচে খেলা হয়, সেখানে আমাদের পেসাররা খুব ভাল বল করছে।’’

কেকেআরের এই বোলিং শক্তি নিয়েই বিশ্বের দুই সেরা ব্যাটসম্যানকে সামলাতে হবে। বিপক্ষে বিরাট কোহালি ও এবি ডিভিলিয়ার্স থাকায় কাজটা কতটা কঠিন? কার্তিকের উত্তর, ‘‘ওদের ব্যাট চলতে শুরু করলে থামানো খুব কঠিন। বিশ্বসেরা দুই ব্যাটসম্যানকে আটকানো অতটা সহজ নয়। কিন্তু আমাদের শক্তির উপর আস্থা রাখতে হবে। এমন জায়গায় বল রাখতে হবে যাতে নিজেদের দিনেও খেলতে অসুবিধা হয় ওদের।’’

শেষ ছ’টি ম্যাচের মধ্যে চারটি জিততেই হবে কেকেআরকে। তাই আরসিবি-র বিরুদ্ধে জেতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কার্তিক বলছিলেন, ‘‘এই পর্যায়ে এসে বিপক্ষের শক্তির কথা ভেবে খেলতে নামলে চলবে না। প্রত্যেক ম্যাচই আমাদের কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ। একটি করে ম্যাচ ধরে এগোতে চাই। তবে হ্যাঁ, ছন্দে ফেরার জন্য এই ম্যাচ জেতা খুবই জরুরি।’’

ইডেনের গতিময় পিচে খেলানো হতে পারে ডেল স্টেনকে। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন নবদীপ সাইনি। বিপক্ষের পেস আক্রমণকে কী ভাবে দেখছেন কার্তিক? তাঁর কথায়, ‘‘ইডেনের পিচ দক্ষ পেসারের জন্য আদর্শ। স্টেন যদি এখানে ভাল বল করে, তাতে আশ্চর্যের কিছু নেই। কিন্তু ভয় পেলে তো সবাই চেপে বসবে।’’ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরেও কি সব ম্যাচ খেলবেন কার্তিক? অধিনায়কের উত্তর, ‘‘বিশ্বকাপের দল ঘোষণা অতীত। এখন আমাদের লক্ষ্য আইপিএলে সেরাটা দেওয়া।’’