অধিনায়ক আর অশ্বিনকে সতীর্থরা ‘অ্যাশ’ নামে ডাকেন। এটা নতুন কোনও তথ্য নয়। ঠিক যেমন বিশ্বক্রিকেট ক্রিস গেলকে ‘ইউনিভার্স বস’ হিসেবে ডাকতেই বেশি ভালবাসেন।

কিন্তু কিংস ইলেভেন পঞ্জাব দলে মায়াঙ্ক আগরওয়াল অথবা করুণ নায়ারকে কী নামে ডাকেন সতীর্থরা? সেই গল্প ফাঁস করলেন প্রীতি জিন্টার ‘সড্ডা পঞ্জাব’ দলের এক নম্বর তারকা কে এল রাহুল। দলের ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাহুল বলেছেন, ‘‘মায়াঙ্ককে আমরা সকলে মঙ্ক নামে ডাকতেই ভালবাসি। আমি দীর্ঘদিন ধরে কর্নাটকে ওর সঙ্গে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেছি। বলতে পারেন, আমিই ওকে এই নাম দিয়েছিলাম। সেটাই এখন কিংস ইলেভেন পঞ্জাব শিবিরে জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছে।’’ রাহুল আরও বলেছেন, ‘‘তা ছাড়া ওর হাবভাব অনেকটাই ঋষিসুলভ। ফলে মায়াঙ্কের এর চেয়ে ভাল নাম আর কিছু হতে পারে না।’’

শনিবার মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে জয়ে বড় ভূমিকা ছিল রাহুলের। তিনি  ৫৭ বলে ৭১ রানে অপরাজিত ছিলেন। নিজের ইনিংস নিয়ে রাহুল বলেছেন, ‘‘রাজস্থান রয়্যালস এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ভাল রান করতে পারিনি। ফলে নিজের উপরেই বিরক্তি তৈরি হয়েছিল। শনিবার বড় রান করতেই হবে, এমন একটা প্রতিজ্ঞা  করে নেমেছিলাম।’’ তবে নিজের বড় রানে ফেরার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইউনিভার্স বস ক্রিস গেল-এরও। তিনি বলেছেন, ‘‘গেলের সঙ্গে ব্যাট করার সব চেয়ে বড় সুবিধা হল, ও নন-স্ট্রাইকার এন্ডে দাঁড়িয়ে থাকা ক্রিকেটারের উপ চাপ তৈরি হতে দেয় না।’’ সেখানেই না থেমে রাহুল আরও বলেছেন, ‘‘শনিবার ম্যাচের মধ্যেও গেল আমাকে নিজের মতো শট নিতে বলেছিল। পরামর্শ দিয়েছিল ও বোলারদের আক্রমণ করে চাপে ফেলে দেবে। আমি অন্য প্রান্ত থেকে রানকে এগিয়ে নিয়ে যাব। তাতেই ম্যাচ বেরিয়ে আসবে।’’

সোমবার কি সেই দর্শনেই অনড় থেকে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন? রাহুল বলেছেন, ‘‘অবশ্যই। গেল যা বলবে, আমি সেটা পালন করতে বাধ্য। আমি তো কোনও দিন চেষ্টা করেও গেলের মতো পাঁচ নম্বর গিয়ারে গাড়ি চালানোর ভঙ্গিতে ব্যাটিং করতে পারব না। ফলে আমাকে ওর কথা শুনতেই হবে।’’ পঞ্জাব দলের কোচ মাইক হেসন অবশ্য সতর্ক থাকছেন সোমবারের ম্যাচ নিয়ে। তিনি বলেছেন, ‘‘রাবাডার চার ওভার খুব সতর্ক হয়ে খেলতে হবে। তবেই ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’’