রেনবো এসির কাছেও দু’গোল খেল মোহনবাগান। যদিও পাল্টা তিন গোল দিয়ে জয় ছিনিয়ে নিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। কিন্তু প্রশ্ন উঠে গেল শঙ্করলাল চক্রবর্তীর দলের রক্ষণ নিয়ে। কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে একটা জয় সঙ্গে নিয়েই ঘরের মাঠে খেলতে নেমেছিল মোহনবাগান। প্রথম থেকেই সমানে সমানে টক্কর দিতে শুরু করে রেনবো। যার ফলে ৩৯ মিনিটেই গোল করে এগিয়ে যায় রেনবো এসসি। অভিজিতের ফ্রি কিক সরাসরি ঢুকে যায় বাগান গোলে। সুজয়কে ট্যাকল করে হলুদ কার্ড দেখেন কিংসলে। যে কারণে ফ্রি কিক পেয়ে গিয়েছিল রেনবো।

 প্রথমার্ধ ০-১ গোলে পিছিয়েই শেষ করে মোহনবাগান। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মোহনবাগান। যার ফল ৪৯ মিনিটেই ১-১ করে ফেলে সবুজ-মেরুন। মেহতাবের একটা দুরন্ত ফ্রি কিকে ডিকার হেড চলে যায় গোলে। অরিজিৎ বাগুইকে ফাউল করে ফ্রি কিক পাইয়ে দিয়েছিলেন প্রভাকর। ৪৭ মিনিটেই শিলটন ডি সিলভার বদলে মাঠে নেমেছিলেন মেহতাব। নেমেই নিজের সেরাটি দেখিয়ে দিলেন এতদিন পর মোহনবাগানের জার্সিতে।

৬৯ মিনিটে অভিষেকের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। যদিও অভিষেকের শট রেনবো ডিফেন্ডার গডিনের হাতে লেগে চলে যায় গোলে। কিন্তু গোল দেওয়া হয় অভিষেককেই। ২-১ গোলে এগিয়ে গিয়ে স্বস্তি ফেরে মোহনবাগান শিবিরে। ৭৩ মিনিটে আবারও সেই মেহতাব হোসেন। যিনি মঙ্গলবার বাজিমাত করলেন সেট পিসে। সেই মেহতাবেরই কর্নার থেকে ডিকার হেড পেয়ে গিয়েছিলেন কিংসলে। কিংসলের হেড থেকে আজহারউদ্দিনের গোলে ৩-১এ এগিয়ে যায় মোহনবাগান।

আরও পড়ুন
বিশ্বকাপের প্রোমোশনাল ভিডিয়োয় ফ্লিনটফ

মনে করা হয়েছিল এখানেই শেষ হয়ে গেল এ দিনের খেলা। কিন্তু হাল ছাড়ার পাত্র ছিল না রেনবো এসি। তাই শেষ চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে তারা। যার ফলে ৮২ মিনিটে ব্যবধান কমিয়ে ফেলে রেনবো। হেডে গোল করে যান জোয়েল সানডে। এ বার বেশ ভাল দল বানিয়েছে রেনবো। উড়িয়ে আনা হয়েছে প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল তারকা পেন ওরজিকে। এক সময় পেন ও মেহতাব একসঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠ কাঁপাতেন। এ বার সেই দু’জনই দু’দলের মাঝমাঠের নেতৃত্বে। তবে এ দিন পেনকে ছাপিয়ে গেলেন মেহতাব। শেষ বেলার বেশ কিছু পজিটিভ আক্রমণ তুলে আনলেও জয় তুলে আনতে পারেনি রেনবো। ৩-২ গোলে রেনবোকে হারিয়ে কলকাতা লিগে দ্বিতীয় জয় তুলে নেয় মোহনবাগান।

শেষ গোলের পর মোহনবাগানের আজহারউদ্দিনের উচ্ছ্বাস।