আগামী ১৫ অগস্ট, স্বাধীনতা দিবসে লে-তে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে পারেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি।

টেরিটোরিয়াল আর্মির সাম্মানিক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ধোনি এই মুহূর্তে দলের সঙ্গে রয়েছেন পুলওয়ামা জেলার খেরু অঞ্চলে। সেখানে তিনি বাকি জওয়ানদের মতো টহলদারির কাজ করছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর আজ, শনিবার দলের সঙ্গে ধোনি যেতে পারেন লে-তে। সংবাদসংস্থা আইএএনএস-কে শুক্রবার সেনাবাহিনীর জনৈক আধিকারিক বলেছেন, ‘‘ভারতীয় সেনার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। তিনি এই মুহূর্তে তাঁর দলের সতীর্থদের সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করছেন। তারই সঙ্গে প্রায়শই ফুটবল এবং ভলিবল খেলে সেনাদের মানসিক এবং শারীরিক ভাবে তরতাজা রাখার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন।’’ তবে সেখানেই শেষ নয়। ওই আধিকারিক আরও বলেছেন, ‘‘সেনাশিবিরে নিজের দায়িত্ব পালনের সঙ্গে ধোনি বাকি সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধ করার ট্রেনিংও নিচ্ছেন। আগামী ১৫ অগস্ট পর্যন্ত ধোনি এই সেনা ছাউনিতে থাকবেন।’’

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়ার পরে দু’মাসের জন্য ক্রিকেট থেকে বিশ্রাম নিয়ে গত ৩০ জুলাই সেনাশিবিরে যোগ দিয়েছিলেন ধোনি। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক যে দলের সঙ্গে এই মুহূর্তে রয়েছেন, তার নাম ‘ভিক্টর ফোর্স’। যাদের কাজের মধ্যে সীমান্তে টহলদারির সঙ্গে জঙ্গি হামলা দমনের কৌশলও শিখতে হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও পরিস্থিতির মুখে ধোনি বা তাঁর দলকে পড়তে হয়নি। এর আগেও সেনার সঙ্গে ধোনি ট্রেনিং নিয়েছিলেন। সেই সময় প্যারাট্রুপার হিসেবে  তিনি ট্রেনিং সম্পূর্ণ করেছিলেন। উড়ান থেকে লাফিয়ে পড়ে প্যারাট্রুপারের পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। শুক্রবার সেনা আধিকারিক বলেছেন, ‘‘ধোনির মতো ব্যক্তিত্ব শিবিরে থাকায় সেনারা এখন অনেক বেশি উৎসাহিত হয়ে উঠেছেন।’’

জম্মু-কাশ্মীরের মানচিত্র বদলে ফেলার পরে কেন্দ্রীয় সরকার এ বার উপত্যকায় স্বাধীনতা দিবস পালনকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ঠিক হয়েছে, স্বাধীনতা দিবসে উপত্যকা জুড়ে প্রত্যেকটি গ্রামে জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হবে। সমস্ত মানুষ যাতে স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে অংশগ্রহণ করেন, তা নিয়ে বাড়তি পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। সেনাবাহিনীর সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের আমজনতাকেও বিশেষ ভাবে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মোট ৪৯০০ গ্রাম পঞ্চায়েতকে এই  অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। তারই অঙ্গ হিসেবে আগামী ১৫ অগস্ট লে-তে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে পারেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। যদিও সেই প্রসঙ্গে সেনার তরফে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট ভাবে কিছু জানানো হয়নি।