একটা বা দুটো নয়, সাত বলে সাতটা বিশাল ছক্কা মেরে চর্চায় আফগানিস্তানের দুই ক্রিকেটার মহম্মদ নবি এবং নাজিবুল্লাহ জাদরান।

অ্যাশেজ মন কেড়ে নিয়েছে ক্রিকেটবিশ্বের। স্টিভ স্মিথের ব্যাট কথা বলছে। বল হাতে পাল্টা আক্রমণ করছেন আর্চারও। এ রকম পটভূমিতে নবি ও জাদরানের বিধ্বংসী ব্যাটিং আফগান-ক্রিকেটের দিকে তাকাতে বাধ্য করল ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ঢাকায় ত্রিদেশীয় টি২০ টুর্নামেন্টে শনিবার জিম্বাবোয়ে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় আফগানিস্তানকে। ১৬ ওভারে আফগানদের রান ছিল চার উইকেটে ১২৩ রান। এর পরেই নবি ও জাদরানের বিস্ফোরণ। পরের দুই ওভারে ওঠে ৫১ রান।

আরও পড়ুন: বাসে কন্ডাক্টরি করে বড় করেছেন মা, সেই ছেলে এশিয়াসেরা করলেন ভারতকে

আরও পড়ুন: নায়িকা? মডেল? না, এই সুন্দরীর আসল পরিচয় জানলে চমকে যাবেন

দু’জনের ব্যাট গর্জে ওঠায় ২০ ওভারে আফগানিস্তান করে ১৯৭ রান। ১৬.৩ থেকে ১৭.৩ ওভার পর্যন্ত চলে ছক্কা বৃষ্টি। ৭ বলে টানা ৭টি ছক্কা হাঁকান নবি ও নজিবুল্লাহ। ১৭তম ওভারের শেষ চার বলে তেন্ডাই চাতারাকে চারটি ছক্কা হাঁকান নবি। নেভিল মাদজিভার পরের ওভারের প্রথম তিন বলে তিনটি ছক্কা নজিবের। আশ্চর্যজনক ভাবে তার পরের ১৫ বলে মাত্র একটি ছক্কা হয়। ইনিংসে মোট ১৫টি ছক্কা মারেন আফগানরা।

সাত বছর আগে মিরপুরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১৪টি ছক্কা হাঁকিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শের ই বাংলায় ১৫টি ছক্কা মেরে সেই রেকর্ড ছাপিয়ে যায় আফগানরা। শেষ ৫ ওভারেই আফগানরা তোলে ৮৮ রান! পঞ্চম উইকেটে নবি ও নজিবুল্লাহ যোগ করেন ১০৭ রান। টি টোয়েন্টি ফরম্যাটে পঞ্চম উইকেটে এটা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ।

আর এই পার্টনারশিপ জিম্বাবোয়ের নাগালের বাইরে নিয়ে যায় ম্যাচ। নজিব ৩০ বলে ৬৯ রান করেন। পাঁচটি বাউন্ডারি ও ছ’টি ওভার বাউন্ডারিতে সাজানো ছিল তাঁর ইনিংস। অন্য দিকে, মাত্র ১৮ বলে ৩৮ রান করেন নবি। চারটি ছক্কা মারেন তিনি। জবাব দিতে নেমে জিম্বাবোয়ে ২০ ওভারে করে সাত উইকেটে ১৬৯ রান। নবি আর নজিবুল্লাহর ছক্কা বৃষ্টিই জিম্বাবোয়েকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিল। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে টানা আটটা ম্যাচ জিতল আফগানিস্তান