• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

জয়ের দিনে নতুন স্পনসর, সঙ্গে ধোঁয়াশাও

Mohun Bagan
স্পনসর পাওয়ার খবরে উত্তাল মোহনবাগান তাঁবু। —ফাইল চিত্র।

দশ বছরে তিনশো পঞ্চাশ কোটি টাকার স্পনসর! বুধবার দুপুরে হঠাৎ-ই চমকে দেওয়া এই ঘোষণায় উত্তাল মোহনবাগান তাঁবু।

ফুটবলারদের বেতন দিতে  হিমশিম খাচ্ছেন কর্তারা। টাকা না পেয়ে ফেডারেশনে অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রাক্তন এক কোচ। ক্লাব নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। এই আবহে ক্লাব লনে সাংবাদিক সম্মেলন করে মোহনবাগান সচিব অঞ্জন মিত্র বলে দিলেন, ‘‘যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ-সহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় কাজ করে একটি তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা, তারা মোহনবাগানকে বছরে ২০ কোটি টাকা করে দিতে চাইছে। সঙ্গে জার্সি এবং প্যান্টের লোগো বিক্রি করে তারা তুলে দেবে আরও ১৫ কোটি টাকা। দশ বছরের জন্য চুক্তি হবে সংস্থাটির সঙ্গে।’’ 

এখানেই অবশ্য থেমে থাকেননি তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, নভেম্বরে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের নতুন দল নেওয়ার জন্য দরপত্র বেরোবে। সেই দরপত্র জমা দেওয়ার ব্যাপারেও সাহায্য করবে ওই কোম্পানি। অঞ্জনের দাবি, প্রয়োজনীয় কয়েকটি কাগজ পাঠিয়ে দিতে পারলেই ৯ সেপ্টেম্বর মউ বা সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হবে ওই স্পনসরের সঙ্গে। রাশিয়া বিশ্বকাপের সময় একটি বিনিয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের। সেই ‘ঐতিহাসিক’ চুক্তি কত দিনের এবং কত টাকার তা অবশ্য এখনও কেউ জানে না। 

মোহনবাগান সচিব জানিয়ে দিয়েছেন, পঁয়ত্রিশ কোটি টাকার বদলে মোহনবাগান ফুটবল টিম কোম্পানির ৭৪ শতাংশ শেয়ার ছেড়ে দিতে হবে ওই স্পনসরকে। কর্মসমিতির  সদস্যরা শেয়ার ছাড়ার সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে বুধবার। এ বার ক্লাবের কোম্পানির শেয়ার যাঁদের কাছে আছে তাঁরা রাজি হলেই চুক্তি হয়ে যাবে। 

মোহনবাগান ফুটবল টিম কোম্পানির শেয়ার ভাগ করা রয়েছে  প্রেসিডেন্ট, সচিব, সহ সচিব ও অর্থ সচিবের নামে। এবং এখন ক্লাবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সচিব এক দিকে, অন্যদিকে বাকি তিন জন। ফলে স্পনসরদের শর্ত মানতে হলে বিরোধীপক্ষের অন্তত দু’জনের সম্মতি দরকার সচিবের। সেটা কি তিনি পাবেন? এ দিন পাঁচ গোলে দিপান্দা ডিকাদের ম্যাচ দেখে বেরোনোর সময় পদত্যাগী সহ সচিব এবং অর্থ সচিব একযোগে বলে দিয়েছেন, ‘‘সচিব কাদের সঙ্গে চুক্তি করতে চাইছেন, সেটাই তো  জানি না। জানার পরেই শেয়ার ছাড়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব। বড় কোম্পানি হলে শেয়ার ছাড়তে আমরা রাজি।’’ 

আজ বৃহস্পতিবার কোম্পানির বোর্ড মিটিং ডেকেছেন সচিব। সেখানে তিনি দেখাবেন সব কাগজপত্র। ওই সভার পরই বোঝা যাবে স্পনসরদের সঙ্গে চুক্তি আদৌ কার্যকর হবে কি না?

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন