সিএবি-র স্থানীয় ক্রিকেট মরসুমে দ্বিতীয় ট্রফি জিতল মোহনবাগান। জে সি মুখোপাধ্যায় টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে এ দিন প্রথম ডিভিশন ওয়ান ডে-র ফাইনালে কালীঘাট ক্লাবকে ৯৯ রানে হারায় সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের দল।

বৃহস্পতিবার টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন মোহনবাগান অধিনায়ক সুদীপ। বিবেক সিংহ, দেবব্রত দাস ও মনোজ তিওয়ারির দাপটে ৫০ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে ৩৪৬ রান করে মোহনবাগান। ৭১ বলে ৭৬ রান করে ম্যাচের সেরা বিবেক সিংহ। ৫৯ বলে ৬১ রান করেন মনোজ। ঝোড়ো ইনিংস উপহার দেন দেবব্রত। ৩২ বলে অপরাজিত ৭৮ রান করেন তিনি। আটটি চার ও পাঁচটি ছয়ের সৌজন্যে এই ইনিংস গড়েন তিনি।

এ দিন কালীঘাট ক্লাবের বোলিং বিভাগ সে রকম শক্তিশালী ছিল না। খেলতে পারেননি সায়ন ঘোষ। কারণ, তাঁর বিয়ে। ব্যক্তিগত কারণে খেলেননি অশোক ডিন্ডা। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির শিবিরে যোগ দেওয়ার জন্য খেলতে পারেননি অনন্ত সাহা। অমিত কুইলা, আমির গনি ও অভিজ্ঞ বাঁ হাতি স্পিনার বাপি মান্নাকে সামলাতে হয়ে তাঁদের বোলিং বিভাগ।

৩৪৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২৪৭ রানেই শেষ হয়ে যায় কালীঘাটের ইনিংস। ৮২ বলে ৮৭ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেও কালীঘাট শিবিরে জেতার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেননি। চার নম্বর জুটিতে ঈশ্বরন ও শুভম চট্টোপাধ্যায় (৪৮) ৯৭ রান যোগ করেন। কিন্তু গরমের জন্য মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান শুভম। সেই জায়গায় আমির গনি নেমে ইনিংস ধরে রাখতে পারেননি। শুভম পরে নামলেও তিনি শটে সে ভাবে জোর পাচ্ছিলেন না। তুহিন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে আউট হন তিনি। তার পরেই শুরু হয় কালীঘাটের উইকেট-বৃষ্টি। তিন উইকেট বাঁ হাতি মিডিয়াম পেসার সৌরভ মণ্ডলের। দুই উইকেট তুহিনের। একটি করে উইকেট নেন ঋত্বিক চট্টোপাধ্যায়, রাজকুমার পাল, অয়ন ভট্টাচার্য, জয়জিৎ বসু ও মনোজ। 

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক সুদীপ জানিয়ে দেন, তাঁদের লক্ষ্য ত্রিমুকুট। সুদীপ বলেন, ‘‘টি-টোয়েন্টি ও ওয়ান ডে জেতা হয়ে গিয়েছে। এ বার লিগ জিতে মরসুম শেষ করতে চাই। দলে মনোজ থাকায় অনেকটাই সুবিধা হয়েছে। পাশাপাশি দেবব্রত ও বিবেক যে ইনিংস খেলেছে তার প্রশংসা করতেই হচ্ছে।’’