এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেটমহল যেন হরমনপ্রীতময়। বিরাট কোহালি-শিখর ধবনদের ছাপিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের কেন্দ্রবিন্দুতে মহিলা জাতীয় দলের ক্রিকেটার হরমনপ্রীত কউর। বিশ্বকাপের ফাইনালের পথে অন্যবদ্য পারফরম্যান্স করায় হরমনপ্রীতকে ঘিরে ইতিমধ্যেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা।

আরও পড়ুন: ক্রিকেটের কিছু চমকে দেওয়া কথা যা আপনি নাও জানতে পারেন

হরমনপ্রীতকে নিয়ে এখন এত মাতামাতি হলেও, পঞ্জাব-তনয়ার অতীতটা কিন্তু মোটেও সুখের ছিল না। জাতীয় দলের জায়গা পেতে বিশেষ কাঠখড় পোড়াতে না হলেও, রুজিরুটি জোগাড় করতে তাঁকে বেশ সমস্যায় পরতে হয়েছিল। ২০১০ সালে যখন চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছিলেন হরমনপ্রীত তখন কেউ তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি। পুলিশের চাকরি পেতে দরখাস্ত করলে তাঁকে তিরস্কার করে পাঠিয়ে দেন পঞ্জাব পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা। এই বিষয় হরমনপ্রীতের কোচ য়াদবিন্দর সোধি বলেন, “পুলিশের এক আধিকারিক বলেছিলেন, কউর কি হরভজন সিংহ, যে তাঁকে ডিএসপি-র পদে কাজ দিতে হবে! তিনি ইন্সপেক্টরের পদ পাওয়ারও যোগ্য নন। মহিলা ক্রিকেটারদের জন্য কোনও চাকরির ব্যবস্থা নেই পঞ্জাব পুলিশে।”

২০১৩ সালে হরমনপ্রীতের হয়ে ব্যাট ধরেন বিশ্ব ক্রিকেটের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর। হরমনপ্রীতকে চাকরি দেওয়ার জন্য সে বছর তৎকালীন রেলমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন সচিন। অবশেষে সচিনের সুপারিশেরই সে বছর ওয়ের্স্টান রেলে চাকরি পান হরমনপ্রীত। এর পর আর পিছন ফিরে তাকাতে চান না পাঞ্জাবের এই কন্যা। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ভারতকে আরও সাফল্য এনে দেওয়াই এখন লক্ষ্য তাঁর।