রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বদলে রবীন্দ্র জাডেজাকে প্রথম একাদশে নিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহালি। তাঁর এই সিদ্ধান্তে বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলেন সুনীল গাওস্কর-সহ আরও অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটারই।

কোহালি ও টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার প্রতি সুবিচার করেন জাডেজা। টপ অর্ডারের ব্যর্থতার পর বাঁ হাতি অলরাউন্ডারের হাফ সেঞ্চুরির সুবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারত প্রথম ইনিংসে করে ২৯৭ রান।

পঞ্চাশ করার পরে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে ব্যাট ঘোরান জাডেজা। দ্বিতীয় দিনের ম্যাচের শেষে তিনি বলেন, ‘‘অধিনায়ক যদি ভরসা রাখে, তা হলে তো ভালই লাগে। ক্যাপ্টেনের বিশ্বাসের মর্যাদা যে আমি দিতে পেরেছি, তাতেই আমি খুশি।’’

আরও পড়ুন: কোহালিদের কোচ হিসাবে কাজ করতে চাই, ফের বললেন সৌরভ

আরও পড়ুন: ফের ব্যর্থ, ঋষভ পন্থ কি আদৌ যোগ্য এত সুযোগ পাওয়ার?

অভিজ্ঞ অফ স্পিনার অশ্বিন এবং চায়নাম্যান বোলার কুলদীপ যাদবকে বসিয়ে জাডেজাকে প্রথম একাদশে জায়গা দেওয়া হয়। অশ্বিনকে দলে অন্তর্ভূক্ত না করায় প্রশ্ন তুলেছিলেন গাওস্কর ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। জাডেজা অবশ্য বাইরের সমালোচনায় কান দিতে রাজি নন। তিনি বলেন, ‘‘আমি নিজের ক্রিকেটে ফোকাস করতে চেয়েছিলাম। বাইরে কী চলছে, কে কী ভাবছেন বা বলছেন, তা নিয়ে আমি ভাবতেই চাই না।’’

ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে এক সময়ে পর পর উইকেট হারিয়ে সমস্যায় পড়ে গিয়েছিল ভারতীয় দল। কিন্তু, জাডেজা ক্রিজ কামড়ে পড়ে থেকে ভারতের স্কোর নিয়ে যান ভদ্রস্থ জায়গায়। জাডেজা বলেন, ‘‘আমি পার্টনারশিপ গড়ার চেষ্টা করছিলাম। টেলএন্ডারদের সঙ্গে আমাকে ব্যাট করতে হচ্ছিল। আমি নিজের ব্যাটিংয়ের দিকেই মনোযোগ দিচ্ছিলাম। নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম।’’

জাডেজা ক্রিজ কামড়ে পড়ে থেকে রান করে গেলেও ঋষভ পন্থ দ্রুত আউট হন। পন্থ ফিরে গেলে ইশান্ত শর্মা যোগ দেন জাডেজার সঙ্গে। ইশান্তের সঙ্গে জুটিতে ৬০ রান জোড়েন জাডেজা। তিনি বলেন, ‘‘আমি পার্টনারশিপ গড়তে চেয়েছিলাম। ইশান্তের সঙ্গে আমি ক্রমাগত কথা বলছিলাম। ক্রিজে আমাদের বেশি ক্ষণ টিকে থাকতে হবে, এই কথাই বলছিলাম নিজেদের মধ্যে। একটা করে ওভার নিয়ে ভাবছিলাম আমরা।’’

ম্যাচের রাশ এখন ভারতের হাতে। ইশান্ত শর্মার পাঁচ উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান এখন আট উইকেটে ১৮৯।