রিওতে অলিম্পিকের উদ্বোধনী আসর মাতিয়ে দিল শরণার্থী দল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শরণার্থীদের নিয়ে গড়া দল এই প্রথম কোনও অলিম্পিকে অংশ নিল। শুক্রবার জিম্বাবোয়ের পর মারাকানা স্টেডিয়ামে যখন প্যারেডের একেবারে শেষে ঢুকল শরণার্থী দলটি, তখন গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে তাঁদের অভিবাদন জানায়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শরণার্থীদের প্রতি সমর্থন জানাতেই দশ জন শরণার্থী অ্যাথলিটকে নিয়ে এই প্রথম গড়া হয়েছে স্বতন্ত্র একটি টিম। যে শরণার্থী অ্যাথলিট টিমে রয়েছেন ১৮ বছরের সাঁতারু উরসা মারদিনি। যিনি সিরিয়া থেকে শরণার্থী হয়ে গিয়েছিলেন জার্মানিতে। সাঁতারে ২০০ মিটার ফ্রিস্টাইল ইভেন্টে অংশ নিচ্ছেন মারদিনি। ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো ছাড়াও রিও অলিম্পিকে অংশ নিয়েছেন সিরিয়া, দক্ষিণ সুদান ও ইথিওপিয়ার শরণার্থী অ্যাথলিটরা। ১৮ থেকে ২৬ বছর বয়সের ১০ প্রতিযোগীর মধ্যে রয়েছেন ৬ জন পুরুষ, ৪ জন মহিলা। ওই দলে রয়েছেন ৬ জন দৌড়বিদ, ২ জন সাঁতারু এবং ২ জন জুডোকা।

এই প্রথম অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার জন্য দলটিকে অভিনন্দন জানিয়ে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সভাপতি থমাস বাখ বলেছেন, ‘‘এই শরণার্থী অ্যাথলিটরা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ শরণার্থীদের কাছে এই বার্তাটাই পৌঁছে দিচ্ছেন যে, তাঁদের লড়াইয়ের পাশে রয়েছে গোটা দুনিয়া।’’

রাষ্ট্রপুঞ্জের শরণার্থী সংস্থা টুইটারে অলিম্পিকে অংশ নেওয়া দলটিকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

আরও পড়ুন- আতসবাজি, লেজার শোয়ের ছন্দে শুরু হয়ে গেল অলিম্পিক্স ২০১৬