গুরুর শেষ যাত্রায় হাজির ছিলেন তাঁর সেরা ছাত্র। এ বার প্রয়াত রমাকান্ত আচরেকরের শোকসভাতেও বৃহস্পতিবার দেখা গেল সচিন তেন্ডুলকরকে। হাজির ছিলেন বিনোদ কাম্বলি, প্রবীণ আমরের মতো প্রাক্তনরাও। 

স্মৃতিচারণায় সচিন বলেন, ‘‘আমি যখন ক্রিকেট খেলা শুরু করেছিলাম, তখন একটাই ব্যাট ছিল। আমার ভাই অজিতের। ব্যাটটা একটু বেশি বড় ছিল বলে আমার গ্রিপটা নীচের দিকে হত। স্যর (আচরেকর) কিছু দিন ব্যাপারটা দেখেন। তার পরে আমাকে এসে বলেন, গ্রিপটা একটু উপরের দিকে করতে।’’ 

মুম্বইয়ের শিবাজি পার্ক জিমখানায় বসে সচিন বলে চলেন, ‘‘এর পরে স্যর আমার খেলাটা ভাল করে লক্ষ্য করেন। বুঝতে পারেন, আমার শটে আগেকার নিয়ন্ত্রণ আর থাকছে না। তখনই স্যর বলেন, পুরনো গ্রিপে ফিরে যেতে।’’ কোচিং করা মানে যে নিছকই বদল আনা নয়, সেটাই সে দিন বুঝিয়ে দিয়েছিলেন আচরেকর। সচিনের মন্তব্য, ‘‘সে দিন স্যর একটা বড় বার্তা দিয়েছিলেন। বুঝিয়েছিলেন, শুধু পরিবর্তন করলেই চলে না। কখনও সখনও পরিবর্তন না করলেই বরং ভাল ফল পাওয়া যায়। সে দিন যদি স্যর আমার গ্রিপ বদলে দিতেন, তা হলে হয়তো এত দিন ধরে আমি খেলতে পারতাম না।’’         

মুম্বইয়ে অন্য একটি অনুষ্ঠানে এসে ভারতীয় দলের তরুণ উইকেটকিপারের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করেন ফারুখ ইঞ্জিনিয়ার। তবে তিনি এও জানিয়েছেন, কিপিং নিয়ে ঋষভ পন্থকে আরও পরিশ্রম করতে হবে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এক টেস্টে ১১টি ক্যাচ নিয়ে রেকর্ড করলেও ভারতের প্রাক্তন উইকেটকিপারের চোখে ঋষভের কয়েকটি টেকনিক্যাল ত্রুটি ধরা পড়েছে। ইঞ্জিনিয়ার বলেন, ‘‘ওর প্রশংসা করুন, কিন্তু পন্থকে এখনই আকাশে তুলবেন না। ওর কিপিংয়ে কিছু টেকনিক্যাল ত্রুটি আছে।’’ ইঞ্জিনিয়ার আরও বলেন, ‘‘আমি কঠোর সমালোচনা করতে চাই না। পন্থকে আরও সময় দেওয়া হোক। ও ঠিক উন্নতি করবেই। ভুল থেকেই তো শিক্ষা নিতে হয়।’’