সেরিনা উইলিয়ামসের আচরণের সমালোচনা করলেন মার্টিনা নাভ্রাতিলোভাও। যুক্তরাষ্ট্র ওপেন ফাইনালে যে ভাবে সেরিনা আম্পায়ারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন, তা মেনে নিতে পারেননি মার্টিনা। বিশেষ করে আম্পায়ারকে ‘চোর’ বলাটা বেশ খারাপ  লেগেছে তাঁর।

মার্টিনা বলেছেন, ‘‘যা ভাবছি তা দিয়ে নিজেকে বিচার করাটা ঠিক না। চেষ্টা করলেই এই ধরনের পরিস্থিতি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, কখনওই কোর্টে এই ধরনের আচরণ কাম্য নয়।’’

নেয়োমি ওসাকার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ওপেন ফাইনালে সেরিনা খেলছিলেন জীবনের ২৪ নম্বর গ্র্যান্ড স্ল্যামের লক্ষ্যে। কিন্তু সেই লক্ষ্যে তিনি চূড়ান্ত ব্যর্থ। উল্টে ওসাকাই ম্যাচ জেতেন ৬-২, ৬-৪ সেটে। ওসাকার আগে জাপানের কোনও মেয়ে আজ পর্যন্ত এই ট্রফি জিততে পারেননি। এ দিকে সেরিনার বক্তব্য, ‘‘যে মন্তব্যের জন্য তিনি শাস্তি পেয়েছেন, তা হামেশাই বলে থাকেন ছেলেরা। কিন্তু তাঁদের কোনও শাস্তি হয় না।’’ 

নাভ্রাতিলোভা আবার সেরিনার এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন, ‘‘অবশ্যই একজন মহিলা হিসেবে সেরিনারও নিজস্ব কিছু অধিকারবোধ থাকা উচিত। এ সব নিয়ে প্রচুর দ্বিচারিতা হয় তাও মানছি। শুধু টেনিসে নয়। এ রকম হয় অন্য খেলাতেও। কিন্তু যে ভাষায় ও যে ভাবে ও প্রতিবাদ জানিয়েছে তা মেনে নেওয়া যায় না। তা ছাড়া ছেলেরা খারাপ কথা বলে তাই আমিও বলতে পারি, এই ভাবনাটাও সমর্থন করি না। আমাদের বুঝতে হবে সঠিক আচরণ কোনটা। বুঝতে হবে এই খেলাটাকে এবং প্রতিপক্ষকে আমরা কী ভাবে সম্মানিত করতে পারি। সেরিনা যেটা পারেনি।’’

সেরিনার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগটা ছিল ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে বসে থাকা তাঁর কোচ প্যাটট্রিক মোরাতাগলুর কাছ থেকে নির্দেশ নেওয়ার। চেয়ার আম্পায়ার কার্লোস র‌্যামোস শাস্তিস্বরূপ প্রথমে সেরিনার একটি পয়েন্ট, পরে একটা গেম কেড়ে নেন। যার ফলে কিংবদন্তি মার্কিন তারকা মাথা গরম করে নিজের র‌্যাকেট ভেঙে ফেলেন। এখানেই শেষ নয়। তিনি একেবারে সরাসরি চেয়ার আম্পায়ারকে ‘চোর’ বলে ফেলেন। নাভ্রাতিলোভা বলেছেন, ‘‘চোর বলার পরেও একজন শাস্তি এড়াতে পারে কি না তা নিয়ে বির্তক থাকতে পারে। কিন্তু ব্যাপারটা এমনিতে খুবই লজ্জার ও দুঃখজনক। সেরিনাকে আমি 

সমর্থন করি না।’’