সাফ কাপ সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ পাকিস্তান হওয়া সত্ত্বেও আশ্চর্যরকম ভাবে উদ্বেগহীন ছিলেন স্টিভন কনস্ট্যান্টাইন। অথচ মলদ্বীপের বিরুদ্ধে ফাইনালের আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে সম্পূর্ণ উল্টো ছবি। কোচের মতে, এ বার ভারতের সামনে কঠিন লড়াই। 

বুধবার রাতে পাকিস্তানকে হারিয়ে সাফ কাপের ফাইনালে ওঠার পরে ড্রেসিংরুমেই উৎসবে মেতেছিলেন মনবীর সিংহেরা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন স্টিভনও। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই উচ্ছ্বাস উধাও ভারতীয় শিবির থেকে। ফুটবলারেরা ক্লান্ত থাকায় বৃহস্পতিবার অনুশীলনও করাননি স্টিভন। ঢাকার টিম হোটেলে সাঁতার কাটেন সুমিত পাসিরা। হঠাৎ ফাইনাল নিয়ে এত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেন কেন জাতীয় কোচ? গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে এই মলদ্বীপকেই তো ২-০ হারিয়েছিল ভারত। স্টিভনের ব্যাখ্যা, ‘‘মলদ্বীপ কতটা শক্তিশালী সেমিফাইনালেই তা প্রমাণ করেছে। নেপালের মতো দলকে ৩-০ হারানো সহজ নয়।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমাদের বিরুদ্ধে গ্রুপে ম্যাচে মলদ্বীপ কয়েক জনকে খেলায়নি। নেপালের বিরুদ্ধে ওরাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। তা-ই ফাইনাল একেবারেই সহজ হবে না। তবে আমরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই এসেছি।’’ সেমিফাইনালের নায়ক মনবীরের কথায়, ‘‘এই মুহূর্তে আমাদের প্রধান লক্ষ্য ফাইনালের আগে মনঃসংযোগ নষ্ট হতে না দেওয়া। আমরা একটা দল হিসেবে যে ভাবে খেলছি, সেটাই ধরে রাখতে চাই। উচ্ছ্বাসে ভেসে না গিয়ে নিজেদের কাজটা করে যেতে হবে।’’  

স্টিভন উচ্ছ্বসিত তাঁর সহকারীদের নিয়েও। বলেছেন, ‘‘আমাদের ক্রীড়া বিজ্ঞানী ড্যানি ডেগান অসাধারণ কাজ করছে। ওর জন্য ফুটবলারদের সমস্ত তথ্য আমাদের হাতে রয়েছে।’’