মাত্র ৬৭ বছর বয়সে ক্যন্সারে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন পদ্মশ্রী অভিনেতা টম অল্টার। অল্টারের প্রয়াণে শোকের ছায়া ভারতীয় সিনেমা জগতে। তবে অল্টার শুধু একজন অভিনেতাই ছিলেন না, ছিলেন এক জন ক্রিকেট প্রেমী, ক্রীড়াসাংবাদিক।

আরও পড়ুন: অভিষেকেই এক ইনিংসে আট উইকেট নিয়ে নজির পাক পেসারের

আরও পড়ুন: ‘ফেক ফিল্ডিং’য়ের জের, পাঁচ রান পেনাল্টি পেল প্রতিপক্ষ দল

স্কুল শিক্ষক হিসেবে জীবনের প্রথম চাকরী করেছিলেন টম। হরিয়ানার সেন্ট থমাস স্কুলে পড়াতেন তিনি। শুধু পড়ানোই নয়, স্কুলের ছাত্রদের ক্রিকেট কোচিংও করাতেন। ১৯৮৮ সালে কিংবদন্তি ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকরের প্রথম টিভি ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন টম অল্টারই। তখন সচিনের বয়স ১৬ বছর। টুইট করে সেই সাক্ষাৎকারের স্মৃতি রোমন্থন করেছে মাস্টার ব্লাস্টার স্বয়ং।

ক্রীড়া সাংবাদিকতার পাশাপাশি ক্রিকেট মাঠেও সুনীল গাওস্কর, মহিন্দর অমরনাথদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়েও লড়তে দেখা গিয়েছে টমকে। ১৯৮৩ সালে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পর আমেরিকা একাদশ বনাম ভারতীয় একাদশ ম্যাচে সুনীল গাওস্করের নেতৃত্বে রজার বিনি, মদনলালদের সঙ্গে একই ড্রেসিংরুম শেয়ার করেছেন টম অল্টার। পরে সেই ম্যাচের কিছু মুহূর্ত নিয়ে একটি ক্রীড়াপত্রিকাতে লিখেওছেন তিনি। টম লিখেছেন, “ওই ম্যাচে আমি চারটি ওভার ভাল বল করেছিলাম। বিপক্ষ অধিনায়ককে এলবিডব্লিউ-ও করেছিলাম। সেই ম্যাচ বেশ দাপটের সঙ্গেই আমরা জিতেছিলাম।”

এই আদ্যোপান্তো ক্রিকেট প্রেমী এবং ভদ্রলোকটিই রেগে গিয়েছিলেন যখন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের মাঝ পথে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেন। একটি সর্বভারতীয় সংবাদপত্রে ধোনির উপর ক্ষোভ উগড়়ে টম লিখেছিলেন, “আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ধোনিকে নির্বাসিত করা উচিত। ও শুধু চুক্তিই ভাঙেনি, ভারতীয় ক্রিকেটকে যারা ভালবাসেন তাঁদের সঙ্গে সম্পর্কও ভেঙেছেন।” ধোনির অবসর নেওয়াটা একেবারেই মেনে নিতে পারেননি অল্টার।