চার বছর পরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে বার্সা। আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে তাঁর শেষ ১২ ম্যাচের পরে ফের গোল করলেন মেসি। ম্যাচের পরে তাই উচ্ছ্বাসে ভাসলেন বার্সেলোনার আর্জেন্টিনীয় তারকা।

বলে দিলেন, ‘‘ম্যাচের আগেই সতীর্থদের বলে দিয়েছিলাম, গত বছরে রোমার অভিজ্ঞতা রয়েছে। একটা ভুলেই কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অভিযান শেষ হয়ে যেতে পারে। সেটা সবাই মাথায় রেখেছিল। তবে শুরুটা ভাল না হওয়ায় মেসি সতর্ক করেছেন সতীর্থদের। বলেন, ‘‘কোনও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচ এ ভাবে শুরু করতে পারি না আমরা। প্রথম পাঁচ মিনিট দলটা স্নায়ুর চাপে ভুগছিল। সেই সময় ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড দু’বার গোল করার জায়গায় চলে গিয়েছিল। তার পরেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলেছিল বার্সা।’’ সঙ্গে যোগ করেন, ‘‘গত তিন বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে যেতে পারেনি দল। কিন্তু তার পরেও আমরা আস্থা হারাইনি। ফের সেমিফাইনালে উঠে ভাল লাগছে। কিন্তু এতে আত্মতুষ্ট হয়ে পড়লে চলবে না। এরও এগোতে হবে।’’ মেসির জোড়া গোলে শেষ চারে উঠে খুশি বার্সেলোনা ম্যানেজার আর্নেস্তো ভালভার্দেও তিনি বলছেন, ‘‘মেসি সব সময়েই আমাদের ত্রাতা হয়ে সমস্ত সমস্যার সমাধান করে দেয়। আজ যেমন করে দেখাল।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘মেসি সব সময়েই আসল ম্যাচে জ্বলে ওঠে। গোল করা ছাড়াও গোলের রাস্তাও তৈরি করে দেয় মেসি।’’ শেষ আটের বাধা টপকে সেমিফাইনালে যাওয়ায় আশ্বস্ত ভালভার্দে। এ প্রসঙ্গে গত বছর কোয়ার্টার ফাইনালে ইটালির দল এএস রোমার কাছে বার্সার হারের প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, ‘‘দীর্ঘ সময় বার্সা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে খেলেনি। গত বছর রোমার কাছে দুঃখজনক হারের স্মৃতি এখনও মনে রয়েছে সকলের। ফুটবলে কখন কী হবে তা কেউ জানে না। তা ছাড়া ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড কঠিন প্রতিপক্ষ। তাই নিজেদের সেরা ছন্দেই খেলতে চেয়েছিলাম আমরা। সেই পরিকল্পনা সফল।’’

অন্য দিকে মেসির দাপুটে ফুটবলের কাছে হেরে বিপক্ষ ম্যানেজার সোলসার বলছেন, ‘‘মেসির মতো খেলোয়াড়কে বক্সের সামনে সময় ও জায়গা দিলেই গোলের দরজা খুলবে। এ ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে।’’