মাঠের লড়াইয়ে কী হবে, তা জানা নেই। তবে মাঠের বাইরে কলম্বিয়া মঙ্গলবার সম্ভবত ইংল্যান্ডকে হারাতে চলেছে।

ইয়েরি মিনাদের জন্য গলা ফাটাতে এমনিতেই রাশিয়ায় হাজির ৩০ হাজার সমর্থক। মঙ্গলবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচের জন্য হামেস রড্রিগেজ়দের দেশ থেকে নাকি আসছেন আরও দশ হাজার সমর্থক। এই খবর পৌঁছে গিয়েছে কলম্বিয়া শিবিরেও। এটা জানার পরে দাভিদ ওস্পানিয়াদের আত্মবিশ্বাসও বেড়ে গিয়েছে কয়েক গুণ।

মস্কোর স্পার্টাক স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে এত সমর্থক হয়তো পাবে না গ্যারেথ সাউথগেটের দল। স্পার্টাকের দর্শকাসনই যে প্রায় সাড়ে ৪৫ হাজার। লিগের তিনটি ম্যাচেও সমর্থকেরা তাঁদের ভাল খেলার প্রেরণা জুগিয়েছেন বলে জানান গোলরক্ষক ওস্পানিয়া। মঙ্গলবার স্পার্টাকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়েও সমর্থকদের শব্দব্রহ্মই সম্বল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন তিনি। বলেন, ‘‘এখানে এসে প্রচুর সমর্থন পেয়েছি আমরা। সারা বিশ্বেই আমাদের দেশের মানুষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন। কিন্তু এখানে এসে যা দেখেছি, তা ভাবতে পারিনি। প্রতিটা ম্যাচেই মনে হয়েছে ঘরের মাঠে খেলছি।’’

দলের তারকা মিডফিল্ডার হামেস রড্রিগেজকে নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল, তাও কেটে গিয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়ে দেন কোচ জোস পেকারম্যান। বলেন, ‘‘ওর এমআরআই করা হয়েছে, কোনও গুরুতর চোট নেই। হামেস কাল খেলতে পারে। আশা করি, কাল ম্যাচের আগে খেলার অবস্থায় চলে আসবে।’’ গত বিশ্বকাপে ছ’টি গোল করা এই মিডফিল্ডার সেনেগালের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে পায়ে চোট পান।

হামেস না খেললেও ইংল্যান্ডকে দু’টো সমস্যার সামনে দাঁড় করাতে পারে কলম্বিয়া। প্রথমত, ইয়েরে মিনা ও দাভিনসন স্যাঞ্চেজের দুর্ভেদ্য সেন্ট্রাল ডিফেন্স, যা ভেদ করে গোলের মুখ খোলা বেশ কঠিন হবে কেন-দের কাছে। অন্য দিকে, সেট পিস মুভমেন্টে খুয়ান কুইন্তেরোর বিপজ্জনক হয়ে ওঠা, যাঁকে সামলানো একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এ পর্যন্ত কলম্বিয়ার পাঁচটি গোলের মধ্যে তিনটিই এসেছে সেট পিস মুভমেন্ট থেকে। এই কারণগুলিই কলম্বিয়া শিবিরকে তাতিয়ে রেখেছে।