• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

জার্মানির বড় বাধা স্পেন, বলছেন বিশ্বকাপজয়ী লাম

Mats Hummels
মহড়া: তৈরি হচ্ছেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ইতালিতে প্রস্তুতি শিবিরে জার্মানির ম্যাটস হুমেলস। ছবি: গেটি ইমেজেস

Advertisement

চার বছর আগে মারাকানা স্টেডিয়ামে আর্জেন্তিনাকে হারিয়ে তাঁর নেতৃত্বে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল জার্মানি। তাঁরাই ব্রাজিলকে সেমিফাইনালে হারান ৭-১ গোলে। এ বার অবশ্য তাঁকে রাশিয়ায় মাঠে দেখা যাবে না। সংযুক্ত জার্মানিকে প্রথম সাফল্য এনে দেওয়ার পরেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান ফিলিপ লাম। গত বারের অধিনায়ক লাম এ বার গ্যালারি থেকেই তাঁর দেশের বিশ্বকাপ জয় দেখতে চান। এবং এই ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট আশাবাদী।

রাশিয়ায় জার্মানিকে বিশ্বকাপের অন্যতম দাবিদার বলছেন ৩৪ বছর বয়সি প্রাক্তন অধিনায়ক। বিবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘‘আমাদের দলের ফুটবলাররা নিখুঁত প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রতি পজিশনে ভাল ফুটবলার রয়েছে। তাদের অভিজ্ঞতাও যথেষ্ট। দলে যেমন তরুণ, প্রতিভাবান ছেলে রয়েছে। তেমন বহু টুর্নামেন্টে খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন খেলোয়াড়ও আছে। ওরা স্বাভাবিক ফুটবলটাই অসাধারণ খেলে। তাই আমার মনে হয়, রাশিয়ায় ওরা অনেক দূর পর্যন্ত যাবে। বিশ্বকাপের অন্যতম দাবিদার আমাদের দল।’’

বিশ্বজয়ের রাস্তায় স্পেনকে জার্মানির সবচেয়ে বড় বাধা বলে মনে করেন গত বারের অধিনায়ক। তাঁর মতে, ‘‘ডুসেলডর্ফে (ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচে) জার্মানির বিরুদ্ধে ওদের ম্যাচ দেখার পরে স্পেনকে আমার খুব ভাল লেগেছে। ওরা সত্যিই খুব ভাল খেলছে। ব্রাজিল ও ফ্রান্সও ভাল। ইংল্যান্ড দলটা তরুণ ফুটবলারে ভরা। তবে সব ম্যাচে ওরা ওদের মান অনুযায়ী খেলতে পারে কি না, সেটাই দেখার। ক্রোয়েশিয়া, বেলজিয়ামকেও নজরে রাখব। তবে আমার চার ফেভারিট জার্মানি, স্পেন, ব্রাজিল ও ফ্রান্স।’’ জার্মানির কোচ ওয়াকিম লো-র অভিজ্ঞতা যে মানুয়েল নয়্যারদের দলের সবচেয়ে বড় শক্তি, তাও জানিয়ে দেন লাম। বলেন, ‘‘২০০৪ থেকে জার্মান দলের সঙ্গে রয়েছেন লো। দু’বছর সহকারী কোচ থাকার পরে প্রায় ১২ বছর ধরে প্রধান কোচ। দলের ছেলেদের কী করে সামলাতে হয়, তা খুব ভাল করে জানেন উনি। দলের অন্যান্য কোচ, ডাক্তার, ফিজিওদের কাছ থেকেও আন্তরিক সাহায্য পান বলে উনি অনুশীলনেও তীব্রতা আনতে পারেন নিশ্চিন্তে। কৌশলের ক্ষেত্রেও উনি খুবই ধারালো। কৌশল কী ভাবে মাঠে কাজে লাগাতে হবে, ফুটবলারদের সেই ধারণাও দিতে পারেন স্পষ্ট। অনেকে আবেগে দলকে তাতাতে অভ্যস্ত। কিন্তু লো আবেগের রাস্তায় যান না। ওঁর ক্লাসে দলের ফুটবলাররা প্রত্যেকেই বুঝে নেয়, কাকে ঠিক কী করতে হবে।’’

গত বারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে তাদেরই দেশের মাঠে সাত গোল দিয়ে ফাইনালে ওঠার ঘটনাকে স্বপ্নের মতো মনে হয়েছিল বলে জানান লাম। বলেন, ‘‘ও রকম একটা দলের বিরুদ্ধে ওদেরই মাঠে সেমিফাইনালে নেমে হাফ টাইমে ৫-০! এটা স্বপ্নের মতো ছাড়া কী? গায়ে চিমটি কেটে বিশ্বাস করতে হয়েছিল, এটা বাস্তব। সে দিন আমরা আমাদের কৌশল অনুযায়ী নিখুঁত ফুটবল খেলেছিলাম। যে ভুলগুলো ব্রাজিল করুক বলে চেয়েছিলাম, সেই ভুলগুলোই সে দিন ওরা করেছিল।’’

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন