ইংল্যান্ড গ্রুপ পর্বে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে যদি মনে করে থাকে বিশ্বকাপে বেশি সুবিধে পাবে তা হলে ভুল করছে। মনে করেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন কোচ স্বেন গোরান এরিকসন।

অনেকে বিশ্বাস করেন, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে হারটা শাপে বর হয়েছে হ্যারি কেনদের জন্য। এতে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের মুখে পড়ার সম্ভাবনা থাকবে না ইংল্যান্ডের। এরিকসন বলেছেন, ‘‘আমি একটু আশ্চর্যই হয়ে গিয়েছি। ইংল্যান্ডে সবাই বেশ খুশি মনে হচ্ছে এই ফলে। ভাবছে বিশ্বকাপের ড্র-এর সহজ দিকটায় পড়েছে এ বার ইংল্যান্ড। ড্র-এর যে অর্ধে ব্রাজিল আছে সেই দিকটা এড়াতে পেরেছে।’’

ইংল্যান্ড যদি শেষ ষোলোর লড়াইয়ে কলম্বিয়াকে হারাতে পারে তা হলে সুইডেন বনাম সুইৎজারল্যান্ড ম্যাচের বিজয়ীর সামনে পড়বে কোয়ার্টার ফাইনালে। সুইডিশ কোচ এরিকসন মনে করেন সুইৎজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর দেশের ফুটবলাররা শেষ ষোলোয় জিতে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। ‘‘গত ৩০ বছরে ইংল্যান্ড কত বার সুইডেনকে হারাতে পেরেছে? খুব বেশি নয়। মাত্র দু’বার। তাই আমার মনে হয়, সুইডেনের চেয়ে ব্রাজিলকে হারানো ইংল্যান্ডের পক্ষে সহজ হত। এই সুইডেনকে হারানো খুব কঠিন।’’ কেন? ‘‘দরকার পড়লে সুইডেনের স্ট্রাইকাররা নিজেদের বক্সে রক্ষণের দায়িত্বও সামলাতে পারে,’’ বলেন এরিকসন। সঙ্গে আরও যোগ করেন, ‘‘ইংল্যান্ডকে কোচিং করানোর সময়ে চার বার সুইডেনের মুখোমুখি হয়েছিলাম। আমরা (সুইডেন) এক বার হেরেছি। বাকি ড্র হয়েছে। তার আগে তো ইংল্যান্ডকে বহুবার হারিয়েছে সুইডেনকে।’’

অনেকে বলছেন, ইংল্যান্ড গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে ওঠার জন্যই পুরো শক্তির দল নামায়নি বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে। তবে প্রথম দু’ম্যাচে না নামলেও বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকা ইংল্যান্ডের গ্যারি ক্যাহিল বলে দিয়েছেন, তাঁরা ম্যাচ জিতে প্রথম হয়েই মাঠ ছাড়ার সব রকম চেষ্টা করেছেন।

২০০২ এবং ২০০৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে কোয়ার্টার ফাইনালে তোলা কোচ এরিকসন অবশ্য মনে করেন শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ড ৯০ মিনিটেই কলম্বিয়াকে হারাতে পারবে। বিশেষ করে যদি রাহিম স্টার্লিংয়ের জায়গায় মার্কাস র‌্যাশফোর্ডকে নামানো হয়।