বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার্সে উত্তর বনাম দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল যুদ্ধ গোলশূন্য ড্র হল। খেলা হল উত্তর কোরিয়ার পিয়ংইয়ংয়ে কিম (দ্বিতীয়) সুং স্টেডিয়ামে। বহির্বিশ্বকে এই ম্যাচ দেখার সুযোগ দেয়নি উত্তর কোরিয়া। ফাঁকা স্টেডিয়ামে খেলা হয়েছে। সরাসরি সম্প্রচার হয়নি। দু’দেশের সমর্থক বা বিদেশি প্রচারমাধ্যমকেও খেলা দেখতে দেওয়া হয়নি।

উত্তর কোরিয়ায় দু’দেশের প্রতিযোগিতামূলক প্রথম এই ফুটবল ম্যাচে (পুরুষদের) টটেনহ্যাম হটস্পারের তারকা সন হিউং-মিন দক্ষিণ কোরিয়া দলকে নেতৃত্ব দেন। আপাতত জানা যাচ্ছে, খেলা টেলিভিশনে দেখার জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল কর্তাদের প্রতিবেশী দেশ থেকে ম্যাচের ডিভিডি নিয়ে আসার কথা। দক্ষিণের মন্ত্রিসভার সমন্বয়সাধন দফতর জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া তাদের ম্যাচের একটি সম্পূর্ণ রেকর্ডিং দেবে বলে কথা দিয়েছে। 

ম্যাচে গোপনীয়তা রক্ষা করায় এতটাই কড়াকড়ি ছিল যে বেজিং হয়ে আসার সময় দক্ষিণ কোরিয়ার দলের প্রতিটি সদস্যকে তাদের নিজেদের মোবাইল ফোন পর্যন্ত দূতাবাসে জমা রেখে আসতে হয়েছে। একমাত্র ফিফা আর এএফসি-র ওয়েবসাইটে ম্যাচের সামান্য কিছু বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। খেলা দেখতে মাঠে ছিলেন ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। জামায় উত্তর কোরিয়ার পতাকার ক্ষুদ্র একটা সংস্করণ পিন দিয়ে আটকে তাঁকে খেলা দেখতে হয়েছে। ফিফা প্রেসিডেন্ট অবশ্য বলেছেন, ম্যাচ তিনি দারুণ উপভোগ করেছেন এবং বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার জাতীয় ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট স্বয়ং। ম্যাচ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কাতারের রেফারি আব্দুল রহমান আল জাসিম ম্যাচ পরিচালনা করেন। তিনি উত্তর কোরিয়ার দু’জন এবং দক্ষিণের একজনকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন।