Advertisement
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
১১ বছর পর শহরে হয়তো ডেভিস

জকোভিচকে নিজের দেশে খেলবে ভারত

আন্তর্জাতিক প্রিমিয়ার টেনিস লিগের দু’মাস আগেই ভারতে নোভাক জকোভিচকে খেলতে দেখা যাবে! নভেম্বরে মুম্বইয়ের রাফায়েল নাদাল বনাম দুবাইয়ের জকোভিচের মহাম্যাচের আগে সেপ্টেম্বরে এ দেশের কোর্টে জকোভিচ বনাম সোমদেব হতে চলেছে। এ দিনই আন্তর্জাতিক টেনিস সংস্থার দফতরে লটারিতে ডেভিস কাপের ওয়ার্ল্ড গ্রুপ প্লে-অফের নির্ঘণ্টে মুখোমুখি পড়ল সার্বিয়া এবং ভারত। খেলা ১২-১৪ সেপ্টেম্বর ভারতের মাটিতে। ২০১১-এ দু’দেশের শেষ সাক্ষাৎ ঘটেছিল সার্বিয়ার নোভি সাদে। ডেভিস কাপের নিয়মে এ বার পালা ভারতের।

জকোভিচ। ভারতে খেলার প্রবল  সম্ভাবনা।

জকোভিচ। ভারতে খেলার প্রবল সম্ভাবনা।

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ০২:৪৫
Share: Save:

আন্তর্জাতিক প্রিমিয়ার টেনিস লিগের দু’মাস আগেই ভারতে নোভাক জকোভিচকে খেলতে দেখা যাবে! নভেম্বরে মুম্বইয়ের রাফায়েল নাদাল বনাম দুবাইয়ের জকোভিচের মহাম্যাচের আগে সেপ্টেম্বরে এ দেশের কোর্টে জকোভিচ বনাম সোমদেব হতে চলেছে। এ দিনই আন্তর্জাতিক টেনিস সংস্থার দফতরে লটারিতে ডেভিস কাপের ওয়ার্ল্ড গ্রুপ প্লে-অফের নির্ঘণ্টে মুখোমুখি পড়ল সার্বিয়া এবং ভারত। খেলা ১২-১৪ সেপ্টেম্বর ভারতের মাটিতে। ২০১১-এ দু’দেশের শেষ সাক্ষাৎ ঘটেছিল সার্বিয়ার নোভি সাদে। ডেভিস কাপের নিয়মে এ বার পালা ভারতের।

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্র ওপেন শেষ হওয়ার (৮ সেপ্টেম্বর) চার দিন বাদেই এই টাই। যে জন্য জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের মতো কোনও কোনও টেনিস বিশেষজ্ঞের ধারণা, বিশ্বের দু’নম্বর জকোভিচ শেষ পর্যন্ত ভারতে ডেভিস কাপ খেলতে না-ও আসতে পারেন। “যদি ও নিউইয়র্কে ফাইনালে ওঠে, সে ক্ষেত্রে আট তারিখ খেলে চার দিন বাদেই এত হাজার মাইল দূরে ভারতে দলগত টুর্নামেন্ট খেলতে আসবে কি না, তা নিয়ে আমার একটু সন্দেহ আছে। তা ছাড়া, ডেভিস কাপে প্লে-অফ জাতীয় পর্যায়ে দেশের হয়ে বিশ্বসেরা তারকারা তেমন বেশি খেলে-টেলে না। ওয়ার্ল্ড গ্রুপ, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল হলে অন্য কথা ছিল।”

কিন্তু শহরের টেনিস কর্তারা একেবারে উল্টো মত পোষণ করছেন। সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থার প্রভাবশালী এক কর্তা বললেন, “জকোভিচ খেলতে আসছে বলে গোটা দেশের সব বড় টেনিস কেন্দ্রই চাইবে ভারত-সার্বিয়া টাই আয়োজন করতে। দিল্লি, চেন্নাই, কলকাতা কেউ বাদ যাবে না। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে প্লেয়ারদের সঙ্গে কথা বলার পর এআইটিএ-র বৈঠকে।”

ভারতে বড় মাপের প্লে-অফ টাই শেষ বার হয়েছে বর্কমান-জোহানসনদের সুইডেনের সঙ্গে ২০০৫-এ। এবং সেটা করেছিল দিল্লি। দেশে শেষ প্লে-অফ ভারত খেলেছে ২০১০-এ ব্রাজিলের সঙ্গে। সেটা পেয়েছিল চেন্নাই। ফলে কলকাতার এ বার সুযোগ আছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। কারণ, কলকাতায় শেষ ডেভিস কাপই হয়েছে দীর্ঘ এগারো বছর আগে, ২০০৩-এ। সেটাও এশিয়া-ওশেনিয়া আঞ্চলিক গ্রুপের খেলা। লি-হেশ, বোপান্নারা সাউথ ক্লাবের ঘাসের কোর্টে হারিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডকে। তবে এ বার সার্বিয়া টাই ভারতের যে শহরেই হোক, হার্ডকোর্টে হবে নিশ্চিত। বর্তমান তরুণ ভারতীয় দলের সিন্থেটিক কোর্টই পছন্দ। এবং শহরে সাউথ ক্লাবের পাশাপাশি সল্টলেকে বিটিএ-তেও আন্তর্জাতিক মানের হার্ডকোর্ট আছে এখন। যদিও জয়দীপের ব্যাখ্যা, “আমাদের এক নম্বর প্লেয়ার সোমদেব যে ধরনের স্লো হার্ডকোর্টে খেলতে সবচেয়ে পছন্দ করে, দিল্লির আর কে খন্না স্টেডিয়ামের কোর্ট ঠিক সে রকম। দু’মাস আগেই দিল্লি চ্যালেঞ্জার ও তো ওখানে খেলেই দাপটে জিতল।”

Advertisement

জকোভিচ আসুন-না আসুন, সার্বিয়া ডেভিস কাপে রীতিমতো শক্তিশালী। ২০১৩-তেই ফাইনালিস্ট। ২০১০-এ চ্যাম্পিয়ন। গত সাত বছর ওয়ার্ল্ড গ্রুপে আছে। গত ফেব্রুয়ারিতে জকোভিচ-হীন সার্বিয়া ফেডেরার-ওয়ারিঙ্কার সুইৎজারল্যান্ডের কাছে ওয়ার্ল্ড গ্রুপ প্রথম রাউন্ডে হারায় ২০০৯-এর পর এই প্রথম প্লে-অফ খেলছে তারা। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৭৬ নম্বর দুসান লাজোভিচ দলের দ্বিতীয় সিঙ্গলস প্লেয়ার হলেও বহু-অভিজ্ঞ ইয়াঙ্কো টিপসারেভিচ কিংবা ডাবলসে বিখ্যাত নেনাদ জিমোনজিচ সার্বিয়ার অন্যতম শক্তি। শোনা যাচ্ছে, ফরাসি ওপেনের আগে সাসপেনশন উঠে যাবে ভিক্টর ট্রইকিরও। ভারতগামী দলে তিনিও সম্ভবত থাকবেন। সে ক্ষেত্রে দু’মাস আগেই কলকাতা চ্যালেঞ্জার চ্যাম্পিয়ন ইলিয়া বোজোলিয়াকের ভারতে ডেভিস কাপে সার্বিয়া দলে ঠাঁই হবে না।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.