Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৪ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার

গ্রুপ অব ডেথ

যুদ্ধ শুরুর আগেই প্রান্দেলির সঙ্গে লেগে গেল হজসনের

নিজস্ব প্রতিবেদন
১১ মে ২০১৪ ০৩:১৯
আক্রমণাত্মক ইতালির কোচ।

আক্রমণাত্মক ইতালির কোচ।

‘গ্রুপ অব ডেথ’ বলা হচ্ছে তাদের গ্রুপকে। এবং ১৪ জুন মানাওসের তাপমাত্রা আরও বাড়বে যখন ইউরোপের দুই ‘হেভিওয়েট’ ‘ই’ মুখোমুখি হবে। ইংল্যান্ড ও ইতালি।

কিন্তু মাঠে বালোতেলি বনাম রুনির আগে যে মাঠের বাইরে ইংল্যান্ড বনাম ইতালি শুরু হয়ে গেল! যে যুদ্ধে প্রথম হুঙ্কারটা দিয়ে রাখলেন ইতালি কোচ সিজার প্রান্দেলি। শুনিয়ে রাখলেন, সুযোগ পেলেও ইংল্যান্ডের কোনও ফুটবলারকে তিনি নিজের টিমের জন্য ভাবতেন না!

শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রান্দেলিকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে সুযোগ পেলে ইংল্যান্ড থেকে কোন প্লেয়ারকে তিনি টিমে নিতেন? যার উত্তরে বিস্ফোরক প্রান্দেলি বলেন, “আমি ইতালি দল নিয়ে খুশি। সুযোগ দিলেও ইংল্যান্ড থেকে কোনও ফুটবলারই নিতাম না। কারণ আমাদের দল খুব ভাল।” সঙ্গে প্রান্দেলি আরও বলেন, “ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ খুব ভাল লিগ। সব কোচের স্বপ্ন থাকে এক দিন এই লিগে এসে কোচিং করানোর। কিন্তু আপাতত আমি ইতালি টিমের সঙ্গে থাকাটা অসম্ভব উপভোগ করছি।”

Advertisement

প্রান্দেলির মন্তব্যের পাল্টা হিসেবে রয় হজসনও আবার জানিয়ে দিলেন, মারিও বালোতেলিকে মোটেও ভয় পাচ্ছেন না তিনি। বরং ‘সুপার মারিও’-র খেলার সঙ্গে তিনি পরিচিত বলে জানিয়ে দিচ্ছেন ইংল্যান্ড কোচ। হজসন বলছেন, “আমি ভাল করে চিনি মারিওকে। ওর খেলা ম্যাঞ্চেস্টার সিটিতে দেখেছি। আমি ওর প্রতিভায় মুগ্ধ। কিন্তু তাই বলে ভয় পাচ্ছি না।” সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “ইতালি খুব ভাল টিম তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু ওরা ভাবছে ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই হয়তো ইংল্যান্ড হেরে গিয়েছে। কিন্তু মাঠে নামার আগেই যেমন কেউ জিতে যায় না, তেমন কেউ হেরেও যায় না। কে জিতল, কে হারল, নববই মিনিটের শেষে বোঝা যায়।”

তবে ইতালি শুধু নয়, ব্রাজিলের আবহাওয়াও ইংরেজদের মাথাব্যথার কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আবহাওয়া বিশেষজ্ঞের মতে জুন মাসে ব্রাজিলে ভালই আশঙ্কা আছে ‘এল নিনোর’। যার জেরে আবহাওয়া অস্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে। গরমের তাপপ্রবাহ বাড়তে পারে। যার ফলে ওই ফুটবল বিশ্বকাপের ধকল সামলানো সহজ হবে না। প্রায় প্রতি বছরই গরমে ব্রাজিলকে এই অত্যাচার সহ্য করতে হয়। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণ ও পূর্ব দিকে। চলতি বছর বিশ্বকাপের সময়েও যদি ‘এল নিনো’-র আবির্ভাব ঘটে, তা হলে মনে করা হচ্ছে ইংল্যান্ডের সমস্যা আরও বাড়বে। কারণ ইংল্যান্ড শেষ দুটো ম্যাচ খেলতে চলেছে সাও পাওলো ও বেলো হোরাইজন্টেতে। যেখানে ‘এল নিনোর’ প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে।

আরও পড়ুন

Advertisement