আইপিএল থেকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কারণে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসেনি বাংলাদেশ। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস। তুলনায় টেনে আনলেন পাকিস্তানের পরিস্থিতি।
অক্রিকেটীয় কারণে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার ঘটনা আজও মানতে পারেন না লিটন। পূর্বতন সরকারের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লিটন বলেছেন, ‘‘আমাদের শুধু জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আমরা কী চাই। এক জন খেলোয়াড় হিসাবে আপনি কী চাইবেন? আমরা অবশ্যই মাঠের বাইরে লড়াই করতে চাইনি। ক্রিকেট খেলতে চেয়েছিলাম আমরা। কিন্তু তৎকালীন সরকার ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। আমি তখন বলেছিলাম, আমরা পাকিস্তানে গিয়েও খেলেছি। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীরা ঘরের বাইরে বন্দুক নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত। এর চেয়ে বিপজ্জনক আর কী হবে পারে? কিন্তু সিদ্ধান্তটা সরকারের ছিল। খেলোয়াড় হিসাবে আমাদের মতামত দেওয়ার কোনও সুযোগ ছিল না।’’
ইউনূস সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সে সময় দাবি করেছিলেন, বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত ক্রিকেটারদের। দলের সব ক্রিকেটারের মতামতের ভিত্তিতেই ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই বৈঠক নিয়ে লিটন বলেছেন, ‘‘আমরা বৈঠকে গিয়ে শুধু চা খেয়েছিলাম। আমাদের কিছু বলার সুযোগ ছিল না। কিছু জানতেও চাওয়া হয়নি। হয়তো সংবাদমাধ্যমকে চমক দিতে ওই কথা বলা হয়েছিল।’’
আরও পড়ুন:
লিটন বুঝিয়ে দিয়েছেন, পাকিস্তানের পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে শঙ্কার যথেষ্ট কারণ থাকলও সে দেশে তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বিপজ্জনক পরিস্থিতিপ মধ্যে তাঁদের খেলতে হয় সে দেশে। অথচ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢাল করে ভারতকে চাপে রাখতে গিয়ে তাঁদের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ কেড়ে নেওয়া হয়।