Advertisement
E-Paper

Racism: আবার ক্রিকেটে বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ! মুখ খুললেন সদ্য প্রাক্তন ক্রিকেটার

ক্রিকেটে বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ যেন কমছেই না। ইংল্যান্ডের পর আবার বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ পাওয়া গেল। কে করলেন অভিযোগ?

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১১ অগস্ট ২০২২ ১৫:৩৩
ক্রিকেটে বর্ণবিদ্বেষ

ক্রিকেটে বর্ণবিদ্বেষ প্রতীকী ছবি

ক্রিকেটে আবার বর্ণবিদ্বেষ বিতর্ক! এ বার মুখ খুললেন নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার রস টেলর। কিছু সতীর্থ এবং বোর্ডকর্তাদের দিকে আঙুল তুলেছেন তিনি। তবে কারওর নাম করেননি। বোর্ডের তরফেও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে টেলরের বই ‘রস টেলর ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট’। সেখানেই নিজের ক্রিকেটজীবনের বিভিন্ন বর্ণবিদ্বেষমূলক ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন টেলর। মায়ের সূত্রে তিনি সামোয়া সম্প্রদায়ের লোক, যাঁরা নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী। ক্রিকেটকে নিউজিল্যান্ডে ‘শ্বেতাঙ্গদের খেলা’ বলে উল্লেখ করেছেন টেলর। তাঁর অভিযোগ, সাজঘরেও বর্ণবিদ্বেষের সম্মুখীন হতে হয়েছে।

টেলর লিখেছেন, ‘নিউজিল্যান্ডে ক্রিকেট মূলত শ্বেতাঙ্গদের খেলা। ক্রিকেটজীবনের বেশিরভাগ সময়টায় আমি দলে ব্যতিক্রম ছিলাম। সেটা একটা বিরাট সমস্যা। সতীর্থদের কাছে বা সাধারণ মানুষের কাছে আপনি ততটা গ্রহণযোগ্য নন। কারণ পলিনেশিয়ান সম্প্রদায় থেকে এই খেলায় খুব বেশি কাউকে আসতে দেখা যায় না। তাই জন্যে লোকে আমাকে মাওরি (নিউজিল্যান্ডের সম্প্রদায়) বা ভারতীয় ভেবে ভুল করে।”

টেলরের সংযোজন, “ড্রেসিংরুমের ঝামেলা তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য। এক বার এক সতীর্থ আমাকে বলেছিল, ‘তুমি অর্ধেক ভাল মানুষ। তবে তোমার কোন অর্ধেকটা ভাল? আশা করি তুমি বুঝতে পারছ আমি কী বলছি।’ আমি বুঝতে পেরেছিলাম। দলের অন্যদেরও নিজেদের সম্প্রদায় নিয়ে কটু কথার মুখোমুখি হতে হয়েছে।”

টেলর জানিয়েছেন, শ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটীয়দের তরফে কোনও দিন কোনও প্রতিবাদ হয়নি। তাঁদের কাছে ব্যাপারটা খুবই স্বাভাবিক মনে হত। সেই কারণে যাঁরা আক্রমণের লক্ষ্য, তাঁদেরই সব সামলাতে হত। কোনও দিন তা হলে প্রতিবাদ করেননি কেন? টেলর লিখেছেন, “আমার মনে হয়, দলে তাতে বিরাট সমস্যা তৈরি হত। অনেকের মনে হত, আমি বর্ণবিদ্বেষের তাস খেলে দলে টিকে থাকার চেষ্টা করছি। তার থেকে চামড়া মোটা করে ব্যাপারটা সহ্য করে নেওয়া ভাল।”

Ross Taylor New Zealand racism
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy