Advertisement
E-Paper

মদনে কী মধু আছে সিএবি-তে, লোধা কমিশনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কেন রেখে দেওয়া হয়েছে ৭০ পেরনো ঘোষমশাইকে?

মদন ঘোষ। সিএবি- যুগ্মসচিব। বঙ্গ ক্রিকেটে এখন এই নাম নিয়েই আলোচনা। লোধা কমিটির নিয়ম মেনে তাঁকে সরে যেতে হবে। কিন্তু সরছেন না। সরানোও হচ্ছে না। কেন?

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৬ ১৯:৩৩
CAB Joint Secretary Madan Ghosh

সিএবি-র যুগ্ম সচিব মদন ঘোষ। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম

বাংলার ক্রিকেটে কান পাতলে এখন একটাই নাম শোনা যাচ্ছে। তিনি মদন মোহন ঘোষ। সিএবি-র যুগ্মসচিব। কিন্তু লোধা কমিটির নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে তিনি পদে রয়েছেন বলে অভিযোগ। প্রশ্ন উঠছে, তিনি না হয় ক্ষমতা ছাড়তে চান না। কিন্তু সিএবি-র তাঁকে সরাতে হাত কাঁপছে কেন? তিনি কি কর্মকর্তা হিসাবে এতটাই অপরিহার্য?

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এবং তার অধীনে থাকা রাজ্য সংস্থাগুলিকে বিচারপতি লোধা কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী চলতে হয়। সুপ্রিম কোর্টের এটিই নির্দেশ। সেই নিয়ম অনুযায়ী, সত্তরোর্ধ্ব কেউ ভারতীয় ক্রিকেট কিংবা তার অধীনস্থ সংস্থার প্রশাসনিক পদে থাকতে পারবেন না। মদন গত ২১ মে ৭০ পেরিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু তার পরেও দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তিনি বহাল তবিয়তে পদ আঁকড়ে রয়েছেন বলে অভিযোগ।

কেন সিএবি কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না? খোদ মদন বলেছেন, এ নিয়ে যা বলার সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ই বলবেন। ঘটনা হল, সৌরভকেও লোধা আইন মেনে ‘কুলিং অফ’-এ যেতে হয়েছিল। সরে যেতে হয়েছিল অভিযেক ডালমিয়া, বিশ্বরূপ দে, সুবীর গঙ্গোপাধ্যায়দের। ৭০ বছর বয়স হয়ে যাওয়ায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে সরে গিয়েছিলেন রজার বিন্নীও। তা হলে মদন কেন? তাঁকে ছাড়া কি চলবে না বঙ্গের ক্রিকেট? ময়দানে এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে।

সিএবি-র এক সদস্য বললেন, ‘‘উনি কেন রয়েছেন, তার একটা কারণ, ওঁকে ভোটের আগে (যদিও সিএবি-র নির্বাচন হয়নি) হয়তো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, যাই হোক না কেন, উনি থেকে যাবেন। সমস্যা হবে না। আর তো কোনও কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু এটা সুপ্রিম কোর্টের অবমাননা। গোটা দেশের কাছে সিএবি-র ভাবমূর্তি নষ্ট হয়ে গেল। আমাকেও তো সরে যেতে হয়েছিল।’’

সৌরভ যখন প্রথম বার সিএবি সভাপতি হয়েছিলেন, তখন এই ৭০ বছরের নিয়ম মেনেই সরে যেতে হয়েছিল বিশ্বনাথ সামন্ত এবং অমিয় আড্ডিকে। বিশ্বনাথ ছিলেন সহকারী সচিব, অমিয় ছিলেন সহ-সভাপতি। অমিয় প্রয়াত। বিশ্বনাথ বললেন, ‘‘আমি তো এক দিনও অপেক্ষা করিনি। প্রেসিডেন্ট নিজে এসে আমাকে বলেছিলেন, সরে যেতে হবে। এটাও বলেছিলেন, ‘আপনি না সরলে আমাকে জেল খাটতে হবে’। আমি সঙ্গে সঙ্গে বলেছিলাম, ‘আমার জন্য কাউকে জেল খাটতে হবে কেন?’ সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলাম।’’

তা হলে মদল সরছেন না কেন? বিশ্বনাথ বললেন, ‘‘সেটা বলতে পারব না। আমি এখন সিএবি-তে প্রায় যাই-ই না। নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি। ক্রিকেট ভালবাসি। ক্লাব করি। সিএবি এখন ডামাডোলের বাজার। বাংলার ক্রিকেটের হাল দেখলেই বোঝা যায় সিএবি-তে কী চলছে। বরং অভিযেক (ডালমিয়া) থাকলে উন্নতি হতো। এটা আমার ব্যক্তিগত মত। এ বার তো লড়তেই পারল না। পরে নিশ্চয়ই আসবে।’’

bengal cricket Cricket Association Of Bengal
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy