কোপা আমেরিকা জয়ের পর প্রথম বার আর্জেন্টিনার জার্সিতে খেলতে নেমেছিলেন লিয়োনেল মেসি। সেই ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন হ্যাটট্রিক করে। দু’টি গোল করালেনও। বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনকারী ম্যাচে বলিভিয়াকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিল আর্জেন্টিনা। বড় ব্যবধানে জিতেছে ব্রাজিলও। তবে উয়েফা নেশনস লিগে আটকে গেল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দল পর্তুগাল।
চোটের কারণে কোপার পর দেশের হয়ে খেলা হয়নি মেসির। ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়েও কয়েকটি ম্যাচে খেলতে পারেননি। সম্প্রতি ক্লাবের হয়ে ফিরে গোল করেছেন। দেশের জার্সিতেও তাঁর পা থেকে তিনটি গোল এল।
বলিভিয়ার বিরুদ্ধে ১৯ মিনিটে প্রথম গোল করেন মেসি। বিপক্ষের মার্সেলো সুয়ারেসের থেকে বল কেড়ে মেসির উদ্দেশে বাড়ান লাউতারো মার্তিনেস। নিখুঁত ফিনিশে গোল করেন মেসি। ৪৩ মিনিটে মেসি পাল্টা মার্তিনেসকে দিয়ে গোল করান। তিন মিনিট পরে গোল জুলিয়ান আলভারেসের।
বিরতির পরে নিকোলাস ওটামেন্ডির গোল অফসাইডে বাতিল হয়। তবে চতুর্থ গোলের জন্য বেশি ক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। নাহুয়েল মোলিনার পাস থেকে গোল করেন থিয়াগো আলমাদা। ৮৪ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন মেসি। দু’মিনিট পরে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন। মেসির হ্যাটট্রিক দেখে কেঁদে ফেলেন অনেক সমর্থক।
অন্য দিকে, দোরিভাল জুনিয়র কোচ হওয়ার পর প্রথম বার কোনও ম্যাচে দাপট দেখাল ব্রাজিল। সম্প্রতি প্যারাগুয়ে এবং ভেনেজুয়েলার মতো দলকে হারাতে পারেনি তারা। তবে আগের ম্যাচে চিলি এবং মঙ্গলবার রাতে পেরুকে ৪-০ হারানোয় দলে অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছেন। পেনাল্টি থেকে জোড়া গোল করেন রাফিনহা।
ব্রাসিলিয়ার ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ৬০ হাজার দর্শককে মুগ্ধ করে তৃতীয় গোল করেন পরিবর্ত আন্দ্রেয়াস পেরেরা। আর এক পরিবর্ত লুইস এনরিকে গোল করেন ম্যাচের শেষ দিকে। ম্যাচের পর রাফিনহা বলেছেন, “দুটো ম্যাচেই আমরা দাপট দেখালাম। তবে নিখুঁত খেলার থেকে এখনও অনেক দূরে রয়েছি আমরা।”
আরও পড়ুন:
এ দিকে, স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে গোলই করতে না পারলেন না রোনাল্ডো। শেষ মুহূর্তে ব্রুনো ফের্নান্দেসের একটি ফ্রিকিক বাঁচিয়ে নায়ক স্কটিশ গোলকিপার ক্রেগ গর্ডন। তবু এ১ গ্রুপে শীর্ষেই থাকল পর্তুগাল।
খেলা ছিল আফ্রিকান কাপ অফ নেশনসেও। পরের বছরের প্রতিযোগিতার যোগ্যতা অর্জন করল অ্যাঙ্গোলা, মিশর, সেনেগাল এবং ডিআর কঙ্গো।