আইপিএলের এ বারের মরসুমের পর টেলিভিশন স্বত্ব শেষ হচ্ছে স্টার-এর। ফলে নতুন করে টেলিভিশন স্বত্ব বিক্রি করার প্রস্তুতি শুরু করেছে বিসিসিআই। নতুন স্বত্ব বাবদ অনেক বেশি আয়ের আশা করছে বোর্ড। কিন্তু আইপিএল থেকে বিসিসিআই যে আয় করে সে টাকা কোথায় খরচ হয়? এই প্রশ্নের জবাব দিলেন বিসিসিআই-এর সচিব জয় শাহ।
জয় বলেন, ‘‘বিসিসিআই-এর প্রধান কাজ দেশের ক্রিকেটের মান আরও উন্নত করা। আমাদের লক্ষ্য ক্রিকেটের উপরেই থাকে। যাতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্রিকেটাররাও ভাল ভাবে অনুশীলনের সুযোগ পায় সেই চেষ্টা করি আমরা। আইপিএল থেকে যে আয় হয় তা ফের খেলাতেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিকাঠামোর উন্নতিতে সেই টাকা খরচ করা হয়।’’
২০০৮ সালে আইপিএল শুরু হওয়ার সময় ১০ বছরের চুক্তিতে প্রতিযোগিতার টেলিভিশন স্বত্ব বিক্রি করেছিল বিসিসিআই। প্রতি বছর সেই স্বত্ব বাবদ আয় হত ৮২০০ কোটি টাকা। ২০১৭ সাল থেকে ১০ বছরের বদলে চুক্তির মেয়াদ কমিয়ে ৫ বছর করা হয়। নতুন চুক্তিতে প্রতি বছর ১৬,২৪৭ কোটি টাকা আয় করে বোর্ড। এ বারের নতুন চুক্তিতে বিসিসিআই-এর আশা প্রতি বছর প্রায় ৪৫,০০০ কোটি টাকা করে পাবে তারা।
আরও পড়ুন:
নিলামের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নতুন পদক্ষেপ করেছে বিসিসিআই। এ বার অনলাইনে হবে দরপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। জয় বলেন, ‘‘আইপিএলের জনপ্রিয়তার উপর নির্ভর করে এ বার টেলিভিশন স্বত্ব অনেকটা বাড়বে বলে আশা করছি। দরপত্র নেওয়ার ক্ষেত্রে সব রকমের স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে। তাই সবটাই হবে অনলাইনে। ফলে যারা আবেদন করবে তারা সমান সুযোগ পাবে।’’
কবে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে সে বিষয়ে অবশ্য এখনও কিছু জানাননি জয়। তবে তাড়াতাড়ি পুরোটা হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। জয় বলেন, ‘‘কবে এই প্রক্রিয়া হবে সে ব্যাপারে দিন ক্ষণ খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবে। ৪৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে দেব আমরা।’’ দেশের ক্রিকেটের উন্নতিতে বিসিসিআই যে ভূমিকা নিয়েছে তার জন্য বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও অন্য আধিকারিকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন জয়।