Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৪ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

পাসপোর্ট ভুলে প্রাণে বাঁচলেন চাপেকোয়েনসে কোচের ছেলে

পাসপোর্ট ভুলে প্লেনে উঠতে না পেরে প্রাণে বাঁচলেন ছেলে। যে প্লেন কেড়ে নিল চাপেকোয়েনসের একঝাঁক ফুটবলারের সঙ্গে তাঁর বাবার জীবনও।

সংবাদ সংস্থা
৩০ নভেম্বর ২০১৬ ১১:৩৩
বাবা কাইও জুনিয়রের সঙ্গে ম্যাথু সারোলি (ডান দিকে)।

বাবা কাইও জুনিয়রের সঙ্গে ম্যাথু সারোলি (ডান দিকে)।

পাসপোর্ট ভুলে প্লেনে উঠতে না পেরে প্রাণে বাঁচলেন ছেলে। যে প্লেন কেড়ে নিল চাপেকোয়েনসের একঝাঁক ফুটবলারের সঙ্গে তাঁর বাবার জীবনও।

ভাগ্য হয়তো একেই বলে! বেঁচে থাকা হয়তো এটাই। পুরো দল নিয়ে মেডেলিন যাচ্ছিল বিমানটি। মাঝ আকাশেই ভেঙে পড়ে। ৭৬ জনের মৃত্যু হয়। কোনও এক মন্ত্র বলে বেঁচে গিয়েছেন পাঁচ জন। তাঁদের মধ্যে দু’জন ফুটবলারও রয়েছেন।

সোশ্যাল সাইটে হঠাত্ই ফুটে ওঠে ম্যাথু সারোলির সেই বার্তা। যা আরও স্তম্ভিত করে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। নতুন জীবন ফিরে পেয়েছেন সারোলি ঠিকই, কিন্তু হারিয়েছে বাবাকে। কাইও জুনিয়ার, চাপেকোয়েনসের কোচ। সারোলির বাবা। বাবার সঙ্গে একই বিমানে ওঠার কথা ছিল তাঁরও। কিন্তু পাসপোর্ট ফেলে আসায় তাঁকে বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি। হতাশ হয়ে তিনি ফিরে গিয়েছিলেন। যত ক্ষণে পাসপোর্ট নিয়ে ফেরেন তত ক্ষণে অভিশপ্ত সেই বিমান উড়ে গিয়েছে তাঁর বাবার দলকে নিয়ে। তিনি থেকে গিয়েছেন পরের উড়ান ধরার অপেক্ষায়। কিন্তু দলকে সমর্থন করতে আর ওড়া হল না তাঁর। তার আগেই সব শেষ। তিনি সোশ্যাল সাইটে লেখেন, ‘‘বন্ধুরা, আমি, আমার ভাই আর মা ভাল আছি। আমাদের শক্তি চাই। সবাইকে পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি সাও পাওলোয় ছিলাম। আমি বিমানে উঠতে পারিনি কারণ পাসপোর্ট ফেলে এসেছিলাম।’’

Advertisement

শুধু তিনি নন, তাঁর মতোই দলের সঙ্গে না গিয়ে প্রাণে বেঁচেছেন চাপেকোয়েনসের এক স্ট্রাইকার আলেজান্দ্রো মারটিনুসিও। চোটের জন্য দলের বাইরে চলে যেতে হয়েছিল তাঁকে। তিনি বলেন, ‘‘কঠিন অবস্থার সামনে দাঁড়িয়ে।’’ ফক্স স্পোর্টের ধারাভাষ্যকার এডমুন্ডো পরে খোলসা করেন, তাঁর যাওয়ার কথা ছিল দলের সঙ্গে ওই বিমানেই। কিন্তু পরে তাঁর জায়গায় পাঠানো হয় মারিও সার্জিওকে। এই দুর্ঘটনায় তাঁরও মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন

ব্রাজিল ফুটবল ক্লাবের বিমান ধ্বংস, মৃত ৭৬, বাঁচলেন ৩ ফুটবলার

আরও পড়ুন

Advertisement