বাংলাদেশে পণ্য রফতানি হয়নি। অথচ সেই রফতানির ‘নথি’ দেখিয়েই কেন্দ্রীয় সরকারের ভাঁড়ার থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে প্রায় ১২ কোটি টাকা! ডিরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইনটেলিজেন্স (ডিআরআই) সূত্রের খবর, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত কেন্দ্রীয় শুল্ক দফতরের অফিসারেরাও। তাঁদের পাঁচ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

ডিআরআই সূত্রের খবর, এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার জন্য শুক্রবার ছ’জনকে বনগাঁর পেট্রাপোল থেকে গ্রেফতার করেছে ডিআরআই সূত্রের খবর, ধৃতদের নাম সুজিত স্বর্ণকার, সজল স্বর্ণকার, দীপঙ্কর পাল,  শুভঙ্কর পাল, পল্টু অধিকারী ও প্রসেনজিৎ দাস। এদের মধ্যে  সুজিত এই চক্রের মূল চাঁই। 

ডিআরআই সূত্রের খবর, পানমশলা, গাড়ির সস্তা যন্ত্রাংশের মতো পণ্যে বেশি জিএসটি ফেরত পাওয়া যায়। সেই সব পণ্য রফতানির নথি দেখিয়েই জিএসটি ছাড় বাবদ ১২ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী কালে সেই নথি নিয়ে তদন্তে নামে ডিআরআই। ডিআরআই-এর কাছে এমন ৫২টি বিল জমা পড়েছে যেখানে দেখা গিয়েছে, ১০টি রফতানিকারক সংস্থার জিনিসপত্র বাংলাদেশে গিয়েছে। কিন্তু আদতে ওই সংস্থাগুলি কোনও জিনিসই রফতানি করেনি। ওই নথিতে বাংলাদেশের শুল্ক দফতরের সিলমোহরও ছিল। সে সবই জাল করা হয়েছে বলে খবর।