তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অশোক রুদ্রকে। নতুন সভাপতি হলেন জয়া দত্ত।

ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ পদে অশোক রুদ্রের কাজে খুব একটা সন্তুষ্ট ছিল না তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। বিভিন্ন বিতর্কে জড়িয়ে পড়া শঙ্কুদেব পণ্ডার অপসারণের পরই অশোক রুদ্রকে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ পদে বসানো হয়েছিল। অশোকের কাজকর্ম সংগঠনকে মজবুত করছে বলে আদৌ মনে করছিলেন না দলের শীর্ষ নেতারা। তবে রাজ্যের রাজনীতিতে একের পর এক ডামাডোল এবং নির্বাচনের প্রস্তুতির মধ্যে ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে আর রদবদল করতে চায়নি তৃণমূল। ভোট মিটতেই সাংগঠনিক রদবদল শুরু করল তৃণমূল। ছাত্র সংগঠন দিয়েই সেই রদবদল শুরু হল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

যাঁকে ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ পদে আনা হল, সেই জয়া দত্ত উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী ছিলেন এত দিন। অশোকনগরের মেয়ে জয়া রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। সে সময়েই তিনি রাজ্য নেতৃত্বের নজর কাড়েন। পরবর্তী কালে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের যতগুলি সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত হয়েছেন, সেগুলির প্রায় সবেতেই বক্তাদের তালিকায় নাম থেকেছে জয়ার। আনন্দবাজার ওয়েবসাইটকে জয়া বললেন, ‘‘দিদিই কালীঘাট থেকে আমার নামটা ঘোষণা করেছেন বলে শুনলাম। খবরটা পেয়ে স্বাভাবিক ভাবেই খুব ভাল লাগছে। দিদির সততার আদর্শকে সামনে রেখেই সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলার চেষ্টা করব।’’

আরও পড়ুন:

জয় একার নয়, ১১ আমলাকেও কৃতিত্বের ভাগ দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

কেন সরিয়ে দেওয়া হল অশোক রুদ্রকে। কোথায় খামতি ছিল? জয়া এ বার সাবধানী। বললেন, ‘‘না না, কোনও খামতি ছিল না। দাদা খুবই ভাল। আমাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতেন। আমিও সেভাবেই চলব।’’