• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বাড়তি এক দিনে বিপুল মনোনয়ন জমা তৃণমূলের

cHART

পঞ্চায়েতে মনোনয়নের বাড়তি দিনের বিরোধিতা করেছিল তৃণমূল। অথচ তার সুযোগ নিয়ে সোমবার তিন স্তর মিলিয়ে ৯২৭টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে তারা। এমনকী হুগলির পান্ডুয়া ইটাচুনা খন্যানে ৩৪ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির যে আসনে গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে প্রথম দফায় প্রার্থীই দিতে পারেনি তৃণমূল, সেখানে একধাক্কায় তিন-তিনটি মনোনয়ন জমা দিয়েছে তারা!

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হিসেবে, সোমবার গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ৬৬৩টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতিতে ২৩৯টি এবং জেলা পরিষদে ২৫টি মনোনয়ন জমা দিয়েছেন শাসকদলের প্রার্থীরা। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘‘মনোনয়ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাওয়া গিয়েছে। তাই কেউ কেউ মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।’’ তবে সোমবারের বাড়তি মনোনয়নপত্রগুলি ‘গোঁজ’ কি না, তা নিয়ে দল চিন্তিত বলে সূত্রের খবর। ওই এলাকাগুলি আলাদা করে চিহ্নিতও করতে চাইছেন
দলীয় নেতৃত্ব।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদে সোমবার দু’টি বাড়তি যে মনোনয়ন জমা পড়ছে তা তৃণমূলের। বাড়তি দিনে উত্তর ২৪ পরগনায় ১০টি জেলা পরিষদ আসনে বিরোধীরা মনোনয়ন জমা দিয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতিতে ২টি আসনে মনোনয়ন জমা পড়েছে। বীরভূমে জেলা পরিষদে তৃণমূল চারটি মনোনয়ন জমা দিয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৩টি আসনে শাসকদলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিয়েছে। আলিপুরদুয়ার পঞ্চায়েত সমিতিতে দুটি আসন এবং গ্রাম পঞ্চায়েতে ৮টিতে মনোনয়ন জমা দিয়েছে শাসকদল। জেলা সভাপতি মোহন শর্মার বক্তব্য, ‘‘বর্ধিত মনোনয়নের দিনে আরও ভাল প্রার্থী পেয়েছি।’’

সোমবারের মনোনয়নের হিসেব

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই বাড়তি মনোনয়ন জমা পড়েছে। সে কারণেই পান্ডুয়ায় মুখরক্ষা হয়েছে তৃণমূলের।  

পান্ডুয়া ব্লকে টিকিট বণ্টনের দায়িত্বে রাজ্যের মন্ত্রী ও ধনেখালির বিধায়ক অসীমা পাত্র। দলের একটি সূত্রের বক্তব্য, পান্ডুয়া পঞ্চায়েত সমিতির বিদায়ী সহ-সভাপতি অসিত চট্টোপাধ্যায়, পান্ডুয়া ব্লক তৃণমূলের সভাপতি আনিসুল ইসলাম এবং হুগলি জেলা তৃণমূল যুব সহ-সভাপতি সঞ্জয় ঘোষ— এই তিন জনের কোন্দলে জেরবার তৃণমূল কর্মীরা। এ নিয়ে অসন্তুষ্ট অসীমা পাত্রের নির্দেশেই এ বার মনোনয়ন পেশ করেছেন তিন প্রার্থী।

যে নেতাদের কোন্দলে আগে মনোনয়নই জমা পড়েনি, তাঁদের কী বক্তব্য? সঞ্জয় বলেন, ‘‘টিকিট পাওয়ার পরেই দেওয়াল লেখা উচিত। কেউ বাড়াবাড়ি করলে, তার জবাব তাঁরাই দেবেন।’’ আনিসুল এবং অসিতবাবু দু’জনেরই বক্তব্য, টিকিট নিয়ে দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন