২০ শতাংশ বোনাসের দাবিতে বৃহস্পতিবার থেকে দার্জিলিঙের মোটর স্ট্যান্ডে অনশন শুরু করেছিলেন সাতটি চা শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। শনিবার সন্ধ্যায় অনশন প্রত্যাহার করলেন তাঁরা। আজ, রবিবার সকাল থেকে মোটর স্ট্যান্ডের ওই মঞ্চেই অনশনে বসবেন বিনয় তামাং।

চা বাগানগুলিতে শুরু হওয়া অনশনও এ দিন সকালে প্রত্যাহার করেছে যৌথ কমিটি। শ্রমিকরা কাজেও যোগ দিয়েছে। দাবি না মেটা পর্যন্ত চা কারখানার বাইরে যেতে না দেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন যৌথ কমিটির নেতারা।

সেই মতো বাগানের অন্যান্য কাজকর্ম স্বাভাবিক রাখলেও এ দিন কারখানা থেকে চা বাইরে নিয়ে যেতে দেননি তাঁরা।

শুক্রবার বন্‌ধের পর এ দিন পাহাড় স্বাভাবিক হলেও পর্যটকদের একাংশের মধ্যে এখনও আতঙ্ক আছে। বিনয় অনশনে বসলে ফের পাহাড়ের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হবে কি না, তা নিয়ে অনেকেই ভয়ে রয়েছেন। 

বিনয় অবশ্য এ দিন বলেন, ‘‘গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই আন্দোলন হবে। পর্যটকরা সম্পূর্ণ নিশ্চিন্তে এবং নিরাপদে ঘোরাফেরা করতে পারেন।’’ এ দিন সন্ধ্যায় জরুরি বৈঠকে বসেন যৌথ কমিটির নেতারা। বিনয়ের অনশনকে সমর্থন জানিয়েছে কমিটি। বৈঠক শেষে কমিটির নেতা সমন পাঠক বলেন, ‘‘আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে প্ররোচনা দিয়ে উত্তপ্ত করার চেষ্টা হচ্ছে। 

তাই প্রতিটি বাগানে শ্রমিকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে, কেউ যাতে কোন প্ররোচনায় পা না দেয়। পুজোর পর থেকেই আবার লাগাতার আন্দোলন করার ব্যাপারে এ দিন সিদ্ধান্ত হয়েছে।’’ বিভিন্ন বাগানেও এদিন বৈঠক করেন যৌথ কমিটির বাগান ইউনিটগুলি।