শুরু থেকেই গোর্খাল্যান্ডের দাবি তুলে পাহাড়ের ক্ষমতায় বসেছিলেন বিমল গুরুং। তাদের সঙ্গে জোট করে পাহাড়ে নির্বাচনে লড়াই করায় বার বার বিজেপির সামনে ঘুরে ফিরে এসেছে পৃথক রাজ্যের প্রশ্ন। লোকসভা ভোটের আগেও সেই প্রশ্ন তুলে প্রচার হয়েছে পাহাড়ে। তখন নানা কায়দায় প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। শনিবার দিল্লিতে ১৭ কাউন্সিলারের বিজেপিতে যোগদানের সভায় দলের কেন্দ্রীয় কর্মসমিতির সদস্য মুকুল রায় স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপি বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে। তারপরই বিজেপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে পাহাড়ে। মুকুলের কথায় বিপাকে পরেছেন বিমলপন্থী মোর্চার নেতারাও।  মুকুলের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে বিজেপিকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ তকমা দিয়ে রবিবার থেকে দার্জিলিংয়ে প্রচার শুরু করেছে বিনয়পন্থী মোর্চা।

কটাক্ষ করে বিনয় বলেন, ‘‘গোর্খাল্যান্ডের কথা বলেই পাহাড়ের সাধারণ মানুষের ভোট নিয়েছে বিজেপি। জেতার পর এখন তারা উল্টো  সুর ধরেছে। রাজ্য করে মানুষের রায়কে মান্যতা দিক রাজু বিস্তারা।’’ রাজু অবশ্য পুরনো বক্তব্যেই অটল।  বলেন, ‘‘দলের ইস্তেহারে গোর্খাদের জাতিসত্তা রক্ষার কথা, সমস্যা সমাধানের কথা বলা হয়েছে। দলের নীতি ও সিদ্ধান্ত মেনে সেইভাবেই কাজ হবে।’’ গোর্খাল্যান্ডের প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন বিমলপন্থী মোর্চার কার্যকারি সভাপতি লোকসাম লামা। তিনি বলেন, ‘‘পাহাড়ে আমাদের কর্মীদের উপর যে অত্যাচার চলছে এখন তার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। বাকি বিষয় নিয়ে পরে জোটে আলোচনা হবে।’’

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের YouTube Channel - এ।